২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ঢুকতে পারে বন্যার পানি

ঢাকা জেলার আশেপাশের নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে যা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা সিটি করপোরেশন সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহের বন্যা পরিস্থিতির সামান্য অবনতি হতে পারে। এছাড়াও রাজধানীর কিছু এলাকাতেও ঢুকতে পারে পানি।

বুধবার (২৯ জুলই) বন্যা পূর্বাভাস ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, নাটোর, টাঙ্গাইল, নওগাঁ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে  আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।

অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পাবে যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

আরও বলা হয়েছে,  কুশিয়ারা ব্যাতীত উত্তর পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

এছাড়াও আগামী ২৪ ঘণ্টায় নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বিজ্ঞপিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের পর্যবেক্ষানাধীন ১০১টি নদী সমতল স্টেশনের মধ্যে বৃদ্ধি ৪৭টি, হ্রাস ৪৯টি, অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি, বিপদসীমার ওপরে ১৭টি, বিপদসীমার ওপরে স্টেশনের সংখ্যা ২৭টি।

সারাদেশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে লালাখাল ১৮০ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জ ১৩৫ মিলিমিটার, সিলেট ৯৮ মিলিমিটার, কুষ্টিয়া ৬৭ মিলিমিটার, পরশুরাম ৬৫ মিলিমিটার ও ভাগ্যকূলে ৬০ মিলিমিটার বলেও জানানো হয়েছে।