সাহেদ-মাসুদ ১০ দিনের রিমান্ডে, তরিকুলের সাত দিনের

রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভজকে ১০ দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত। আর সাহেদের প্রধান সহযোগী তরিকুলের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জসিমের আদালতে তাদের রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে চাইলে শুনানি শেষে আদালত সাহেদ ও মাসুদের ১০ দিনই এবং তরিকুলের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জু করেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাহেদকে কঠোর নিরাপত্তা মধ্য দিয়ে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হয়। বুধবার সকালে সাতক্ষীরায় গ্রেফতার করে ঢাকায় আনার পর রাতে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হাজতখানায় রাখা হয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারের পরই তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

গত ৬ জুলাই র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়।

একদিন পর গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে র‍্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সাহেদ পলাতক ছিলেন। সাহেদের খোঁজে সোমবার মৌলভীবাজারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলেও সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি।