মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার অভিনেত্রী শাহনাজ খুশী

অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন অভিনেত্রী শাহনাজ খুশী। মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে তার গাড়ি। গাড়িটি দুমড়ে মুছড়ে গিয়েছে। তবে খুশি ও তার ড্রাইভার সুস্থ আছেন। তারা সামান্য আঘাত পেয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুবাইলের কাছাকাছি মীরেরবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত ছবি দিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকে শাহনাজ খুশী বলেন, ‘আমি আসলে কথা বলার পরিস্থিতিতে নেই। রাতে ভয় পেয়ে অনেক চিৎকার করায় গলায় অনেক ব্যাথা। কীভাবে বেঁচে এসেছি জানি না। গাড়ির কাঁচ ভেঙ্গে হালকা আহত হয়েছি। শারীরিকভাবে আঘাত না পেলেও মানসিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় আছি।’

দুর্ঘটনার দিন সাগর জাহানের ঈদে ধারাবাহিক নাটক ‘নসু ভিলেন’র শুটিং সেটে যাচ্ছিলেন। পথে একটি কার্গো ভ্যান শাহনাজ খুশির গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পিছনে থাকা থেমে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে চেপে ধরে। মুহুর্তেই তার গাড়ি ধুমড়ে মুছড়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে স্থানীয় পুলিশ ও শুটিং ইউনিটের লোকজন উদ্ধার করে।

তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘একেবারেই অলৌকিক কিছু না হলে আমার বাঁচার কথা নয়! আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমি বেঁচে আছি, ভালো আছি! কার্গোটি চালাচ্ছিলো হেলপার। যার বয়স আনুমানিক ১৬ থেকে ১৭ বছর। ড্রাইভারের বয়সও কাছাকাছি। তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিলো না। বরং তারা দম্ভোক্তি করে বলছিলো, ‘মানুষ মাইরালায় ট্যাহা লাগে না, বাঁইচা আছে, তাও ট্যাহা লাগবে!’

‘সামনের টেম্পোর ৬ জনরে বাঁচানোর লাই ২ জনরে মাইরা দেয়া কুনু বিষয় না!’ এর নানা ধরণের অসংলগ্ন কথা বলছিলো ড্রাইভার ও হেলপার।

খুশি আরও লেখেন, ‘আমি কাল থেকে অপ্রকৃতস্থ প্রায়! খেতে পারছি না, চোখ বন্ধ করতে পারছি না। আমার ছেলে দুইটা এ ভয়াবহতায় এলোমেলো। বাচ্চা ছেলেটা রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়েছে! আমি কিছু বুঝতে চাই না। আমি আমার দেশের প্রতি, আইনের প্রতি শতভাগ শ্রদ্ধাশীল এবং দায়িত্ববান।আমার এবং আমার পরিবারের দ্বারা দেশের বিন্দু পরিমাণ সম্মান ক্ষুন্ন হয় নাই। বরং দেশের মর্যাদা রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর। আমি শুধু আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই।

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ