বৃষ্টির আভাস , বাড়তে পারে শীত

পৌষের শেষ দিকে তাপমাত্রা ফের বেড়ে গিয়ে কমলো শীত। একদিনের ব্যবধানে বেশিরভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা এক থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কমে গিয়ে ফের শীত জেঁকে বসতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

শনিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যথারীতি উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর পাবনার ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেডর্ক করা হয়েছে ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়া।

ঢাকায় তাপমাত্রা দু-দিন আগে ১৩ ডিগ্রির ঘরে নামলেও শনিবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার শীতের প্রথম মাস পৌষের ২৪ তারিখ।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও বৃষ্টির আভাস দিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টি চলে যাওয়ার পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

গত ২-৩ দিন ধরে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে পুরো উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো। মেঘলা আকাশ কনকনে হাড় কাঁপানো শীতের কারণে কর্মজীবী নারী-পুরুষসহ ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে। শীতের চাদর মাড়িয়েই প্রয়োজনের তাগিদে ঘর ছেড়ে বাইরে শ্রমজীবীরা। দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েক গুণ।

নিম্ন আয়ের মানুষ বাধ্য হয়ে কাজে বের হলেও শীতে কাতর হয়ে অর্ধেক বেলা পার হয়ে যাচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ছিন্নমূল মানুষ চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন, আশ্রয় নিয়েছে মানুষের বারান্দা বা স্টেশনের ছাউনির নিচে। চেষ্টা করছেন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের।

……………………………..>
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং পাবনার খবরাখবর রাখুন