ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে ‘যা করতে পারে’ তাই করবে ভারত: পাবনায় ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ও ভারত দুই রাষ্ট্রের সম্পর্কের এখন সোনালী অধ্যায় চলছে দাবি করে ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরো দৃঢ় ও বিস্তৃত হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী অঞ্চলে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটি।

তিনি বলেছেন, ‘কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত বাংলাদেশকে বিভিন্ন উপায়ে কিট, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ভ্যাকসিন সরবরাহ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি কর্মশালার মাধ্যমে সহায়তা করেছে। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ভারতের সাহায্যের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশও সাড়া দিয়েছিল। বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে জনস্বাস্থ্য ও জনগণের কল্যাণের উন্নতি সাধনে ভারত তার সামর্থ্যের সীমার মধ্যে বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য যা করতে পারে তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বুধবার (১২ জানুয়ারি) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে ভারত সরকারের দেয়া একটি জীবন রক্ষাকারী অ্যাম্বুলেন্স উপহার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

সঞ্জীব কুমার ভাটি বলেন, আধুনিক জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি সম্বলিত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পথে রোগীদের মানসম্মত জরুরি সেবা এবং ট্রমা লাইফ সাপোর্টের জন্য উপযোগী ১০৯টি অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ কর্মসূচির অংশ পাবিপ্রবিতে দেয়া অ্যাম্বুলেন্সটি। যা ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২১ সালের মার্চ মাসে তাঁর বাংলাদেশ সফরের সময় ঘোষণা করেছিলেন।

বাংলাদেশের যোগাযোগসহ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রশংসা করে ভারতের সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটি বলেন, পাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষক-শিক্ষাথর্ীরা আরো উপকৃত হবে। শিক্ষাথর্ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা পরিবার, সমাজ, দেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরবেন। করোনার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা পরিবার ও দেশের জন্য আরো  বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজশাহী অঞ্চলে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম রোস্তম আলী’র হাতে প্রায় দেড় কোটি টাকা মুল্যের অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন।

………………………………>
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং পাবনার খবরাখবর রাখুন