প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে মেয়র মাজেদের ‘প্রতিবাদ ও বক্তব্য’

‘পাবনায় এক মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির ১৬ দফা দুদকে’- শীর্ষক শিরোনামে গত ৮ এপ্রিল পাবনা বার্তা ২৪ ডটকমকে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন পাবনার ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র খন্দকার কামরুজ্জামান মাজেদ।

প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কাল্পনিক উল্লেখ্য করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনবারের নির্বাচিত পৌরসভার মেয়র মাজেদ।

প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে মেয়র বলেন, ‘এখানে যে অভিযোগগুলো উঠে এসেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আমার জনপ্রিয়তায় হিংসান্বিত হয়ে এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল এসব কাজকর্ম করে বেড়াচ্ছে। বিগত পৌর নির্বাচনের আগেও তারা এসব প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে আমার বিজয়কে রুখতে চেয়েছিলো। কিন্তু সাধারণ জনগণ বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে অভিযোগকারী জাফর ইকবাল সরকার আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ১৪টি ভুয়া ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তৈরি করে। পরে সেগুলো দিয়ে জাল দলিল তৈরি করে দীর্ঘদিনের বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করতে গেলে বিষয়টা আমার নজরে আসে। তারপর আমি উপজেলা সহকারী ভূমি অফিসারের সহায়তায় তার সেই সব জাল সার্টিফিকেট গুলো বাতিল করি। তার এই অবৈধ কাজে বাঁধা দেয়ায় সে আমার বিরুদ্ধে এসব বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে বেড়াচ্ছে।’

মাজেদ বলেন, ‘আর গোপালনগরের কাঞ্চন দীর্ঘদিন গোপালনগর কালিবাড়ির মাঠ দখল করে অবৈধভাবে বালু, পাথরের ব্যবসা করে প্রায় ১ কোটি টাকা কোনো প্রকার রশিদ ছাড়াই নিজে আত্মসাৎ করে। কিছুদিন আগে ওই এলাকার যুবক সমাজ নিজেদের খেলার মাঠ উদ্ধার করার জন্য কাঞ্চনের অবৈধ বালু, পাথর ওখান থেকে সরিয়ে দেয়। সেজন্য কাঞ্চন হিংসার বসবর্তী হয়ে আমার বিরুদ্ধে এই রকম মিথ্যা অভিযোগ করেছে।’

মেয়র আরও বলেন, ‘ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনগণ আমার বিষয়ে খুব ভালোভাবে জানে। সেজন্যই তারা আমাকে পরপর তিনবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে আসছে। কতিপয় খারাপ লোকদের অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা না দেবার কারনে তারা আমার বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই লেগে আছে। কিন্তু কোনো কিছুই আমার চলার পথ বা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে নাই। জনগণ সকল সময়ের জন্যই আমার পাশে আছে থাকবে ইনশাহআল্লাহ।’