পাবনা শহরের পয়েন্টে পয়েন্টে পুলিশ, টহল দিচ্ছে বিজিবি-র‌্যাব

পাবনা পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে পাবনা পৌরসভাধীন প্রায় সব এলাকায়। ফলে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এরাতে শহরজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তারা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান করছেন।

এছাড়াও বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে আওয়ামী লীগের দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর কয়েক প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জোরদার করা হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাবের টহল।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে শহরের অলি-গলিতে বিজিবি ও র‌্যাবের ব্যাপক টহল দেখা গেছে। সঙ্গে রয়েছে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িও।

নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যেই উত্তাপ ছড়িয়েছে পাবনায়। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে আতঙ্ক বিরাজ করছে পুরো শহরজুড়ে। ইতোমধ্যেই দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

৩০ জানুয়ারির আলোচিত এই নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা যুবলীগের আহবায়ক আলী মুতর্জা সনি বিশ্বাস (নৌকা) এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শরিফ উদ্দিন প্রধান (নারকেল গাছ), বিএনপির মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক এডওয়ার্ড কলেজের ভিপি নূর মোহম্মদ মাসুম বগা (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টি মনোনীত চৌধুরী মোহম্মদ মাহাবুবুল হক (লাঙ্গল) , ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আবু বক্কর সিদ্দীক (হাতপাখা)।

এছাড়া জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ২০১৫ সালে নৌকার প্রার্থী মো. রকিব হাসান টিপু এবার মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি সরে গেছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জমা দেয়া পাবনা পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি রকিব উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।

পাবনা পৌরসভা ১৫টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার রয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৮ হাজার ৪০ জন আর নারী ভোটার ৫৪ ২০৪ জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৭৪ জন আর সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

error: কাজ হবি নানে ভাই। কপি-টপি বন্ধ