পাবনায় ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় পাবনায় তাপমাত্রা কমেছে, ফলে জেঁকে বসেছে শীত। তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাত যত গভীর হয়; ততই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ফোটার মত কুয়াশা ঝড়ছে।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সকালে ঘন কুয়াশা থাকার কারণে জেলার বিভিন্ন সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহান চলাচল করতে দেখা গেছে। এদিকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদ বাড়লেও বিকেল হতেই বইছে কনকনে বাতাস, সেই সাথে বাড়ছে তীব্র শীত। সন্ধ্যা নামতেই মানুষ বাজারের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে।

ঈশ্বরদীর আবহাওয়া অধিদফতরের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, পাবনায় কয়েকদিন থেকে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পাবনার ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে মাত্র ৩ ঘণ্টা আগে সকাল ৬ টায় সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ফলে এই ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি আরও জানান, দিনের দুই বার তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়। একবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, পরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। দিনের শেষে বেলা ৩ টায়, সন্ধ্যা ৬ টায় যে তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়, সেটি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এছাড়া সূর্য ডুবে যাওয়ার পর থেকে যে তাপমাত্রা থাকে তাকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধরা হয়।

এদিকে গরম কাপড়ের অভাবে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষজন রাস্তার পাশে খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। তীব্র শীতে অনেক দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ বাড়ি থেকে বের হতে না পারায় কাজেও যোগ দিতে পারছেন না। ফলে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।