পাবনায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠলো পশুর হাট, স্বাস্থ্যবিধি উধাও

বিগত বছরের তুলনায় ক্রেতা সমাগম কিছুটা কম হলেও শেষ মুহুর্তে পাবনায় জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। করেনা ভাইরাসের ভয়াবহ দূর্যগের কারনে হাট গুলোতে প্রথম দিকে পশু কেনা বেচা ভালো না হলেও শেষ মুহুর্তে পশু বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে পাবনার হাট গুলোতে। তবে ক্রয় মূল্যে চাইতে অনেক কম দামে পশু বিক্রি করতে হচ্ছে খামারি ও ব্যাপারীদের।

সঠিক মূল্যে পশু বিক্রি করতে না পারায় লোকসানের মুখে খামারিরা আবার হাটে কেনা বেচা কম হওয়ার ক্ষতির মুখে পরেছে ইজাদাররা। তবে আশার কথা হলো জেলায় করোনা কালীন এই সময়ে পশু বিক্রির জন্য চারটি পেজ খোলা হয়েছে। সেই অনুযায়ী ক্রেতারা সেখান থেকে প্রায় সারে চার হাজার গরু ক্রয় করেছেন। সামনের দুইদিন তিনদিনে বেটা বিক্র বেড়া যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ঠরা। তবে বশে হতাশ ও  ক্ষতির মুখে পরতে যাচ্ছে জেলার খামারী ও পশুর ব্যপারীরা। প্রতিটি পশু প্রতি লোকসান গুনতে হচ্ছে ২০ থেকে পচিশ হাজার টাকা।

জেলার ৯টি উপজেলার ২১ হাজার খামারির প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার ও খামার বাদে আরো প্রায় এক লাখ কোবানির পশু প্রস্তুত ছিলো। আর এর মধ্যে প্রায় দুই লক্ষের মত গরু আর অন্যান্য পশু মিলিয়ে দের লাখের কাছে। চাহিদার তুলনায় জেলায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে প্রায় এক লাখ। জেলায় স্থায়ী হাট রয়েছে ১৮টি ও অস্থায়ী হাট রয়েছে আরো ৮টি।

 ঈদের আর মাত্র দুদিন বাকি থাকলেও জেলার পুষ্পপাড়া, হাজির হাট, অরণকোলা, চাটমোহর নতুন বাজার , বড়ালব্রীজসহ ২৬টি বড়বড় হাটে ব্যাপারীরা পশু নিয়ে যাচ্ছে বিক্রির জন্য। বিগত দিন গুলির মত দাম ও ক্রেতা উপস্থিতি না থাকলেও শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে পাবনা পশুর হাট। জেলায় অনলাইনে এখন পর্যন্ত প্রায় সারে টার হাজার পশু বিক্রি হয়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন, খামরীদের কাছ থেকে কেনা মূল্যের চাইতে কম দামে পশু বিক্র করতে হচ্ছে ব্যপারীদের। বিগত দিন গুলির চাইতে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম মূল্যে পশু কেনা বেচা হচ্ছে। লাখ টাকায় কেনা গরুর দাম হচ্ছে  ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা দামে। গরুর দাম কম হওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন খামারি ব্যপারী ও সাধারন বিক্রেতারা।

 এছাড়া হাটের ইজারাদাররা প্রতিযোগিতা করে চড়া দামে হাট ডেকে নিয়ে এবার লোকসানের মুখে পড়ছেন। আবার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও কোন প্রকার সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না হাট গুলোতে। বেশির ভাগ ক্রেতা বিক্রেতারা মুখে মাস্ক ব্যবহার করছেন না।
ক্রেতারা বলছেন, গতবারের চাইতে অনেক কম দামে এবার পশু বিক্রি হচ্ছে বলে জানালে দাম ক্রেতারা। সাধ্যের মধ্যে কোরবানীর গরুর কিনতে পেরে বেশ খুশি ক্রেতারা।

জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হোসেন বলেন, জেলায় চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে। করোনাকালীণ সময়ের জন্য জেলায় পশু বিক্রির জন্য চারটি অনলাইন পেজ খোলা হয়েছে। বেশ ভালো সারা পাওয়াগেছে। প্রায় সারে চারহাজার পশু বিক্রি হয়েছে অনলাইনে। আর হাট গুলোতে শেষ মূহুর্তে ক্রেতা সমাগম দেখা দিয়েছে। আগামী দুইদিন পশু বিক্রি হয়ে যাবে।