পাবনায় লকডাউন নিয়ে জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) বিস্তার রোধে ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রবিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে বেশকিছু বিধিনিষেধ সম্বলিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সরকারের এই প্রজ্ঞাপনের পর কিছু নির্দেশনা জারি করেছে পাবনা জেলা প্রশাসন। এই নির্দেশনা অমান্য করা হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো-
১. সকল ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকবে।
২. সন্ধ্যা ৬টার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া নিষিদ্ধ
৩. শপিংমল সহ সকল দোকানপাট ও ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে
৪. কাঁচা বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকন স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
৫. এই নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে

এর আগে সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সকল প্রকার গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। বিদেশগামী/বিদেশ ফেরতদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকাল সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত অফিস ও আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় জনবলকে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা-নেওয়া করতে পারবে।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।

এতে আরও বলা হয়, শপিংমল ও অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনের মাধ্যমে পাইকারি ও খুচরা পণ্য বিক্রি করতে পারবে। কর্মীদের সর্বাবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং কোনো ক্রেতা সশরীরে যেতে পারবে না।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা বিধিনিষেধ অমান্য করবে, তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।