পাবনায় মধ্যরাতে নারী নিয়ে কয়েক যুবকের বিরোধ, এক যুবককে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত

এক নারীকে নিয়ে কয়েক যুবকের বিরোধের জেরে পলাশ হোসেন (৩৭) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় অভিযুক্ত নারী রোজিনা ওরফে সাথী আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ মার্চ) দুপুরে পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুমানী নদীর সংযোগ খাল থেকে তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তার শরীরে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাকা গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে পলাশ। তিনি গাড়িচালক ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, পলাশ প্রায় তিন বছর ধরে চাটমোহর উপজেলার সমাজ মিয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল মুতালিবের মেয়ে মৌসুমী খাতুনকে বিয়ে করে সমাজ গ্রামেই বসবাস করছিলেন। সমাজ বাজারে মাওলানা ওয়াজ উদ্দিনের বাড়িতে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে তিনি ভাড়া থাকতেন। পলাশ ড্রাইভার নামে তিনি এলাকায় পরিচিত।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানায়, নিহত পলাশসহ কয়েকজন শুক্রবার রাতে রোজিনা ওরফে সাথীকে নিয়ে সমাজ বাজারে আসে। রোজিনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ হয়। একপর্যায়ে সমাজ বাজারের লোকজন হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে রাত ৮টার দিকে রোজিনাকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এ সময় সবাই সটকে পড়ে। শনিবার দুপুরে সমাজ বাজারের পাশে গুমানী নদীর সংযোগ খালে মাটিচাপা দেয়া পলাশের লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

নিহতের শ্বশুর আব্দুল মুতালেব জানান, প্রায় তিন বছর আগে পলাশ তার মেয়েকে বিয়ে করে। তার মেয়ে পলাশের দ্বিতীয় স্ত্রী। পলাশও তার মেয়ের দ্বিতীয় স্বামী।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আমিনুল ইসলাম জানান, মেয়ে ঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পলাশকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে অসংখ্য কাটা দাগ রয়েছে। কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে। প্রাথমিক তদন্তে ও আটক রোজিনা ওরফে সাথীকে জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য মিলেছে।