পাবনায় মাদকাসক্ত বন্দিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ব্যতিক্রমি উদ্যোগ

বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা): “আমি আর জীবনের আর কোনদিন মাদকাসক্ত বা গাজা, ফেন্সিডিল, মদ, ইয়াবা খামু না। অন্য কোন মাদকও খামু না, আর কাউকে মাদক খাইতেই দিমু না। আজ যে রিকশাডা পাইলাম এই রিকশা দিয়া সারা জীবন চলমু। এই রিকশা দিয়া যেন আমি আমার জীবনের চাকা ঘুরাইতে পারি। সবার কাছে এই সাহায্য ও দোয়া চাই”।

উপরের কথাগুলো পাবনা জেলার আমিনপুর থানার শ্যামসুন্দর গ্রামের দিনমজুর নাসির শেখের ছেলে মাদকসাক্ত হিসেবে কয়েকটি মামলায় ছয় মাস সাজা খেটে মুক্তি পাওয়া সুমন শেখের।

মাদকাসক্ত বন্দি সুমন শেখ বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, ‘আমি সঙ্গ দোষে মাদক খেয়েছি। এমন অবস্থায় গেছি যে ঘরের ঘটি বাটি বউয়ের চুরি গয়না বিক্রি কইরা ইয়াবা খাইছি। আমি আর মাদক খাইতে চাই না’।

মাদকাসক্ত সুমন শেখ বৃহস্পতিবার সকালে মাদক মামলায় ছয় মাস সাজা খেটে মুক্তি পাওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষের সহায়তায় পাবনা জেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা বিভাগের অপরাধী সংশোধন পুর্নবাসন সংস্থা মাদক না খাওয়াসহ ৫টি শর্তে তাকে একটি নতুন রিকশা তুলে দেয়। এ সময় মাদকাসক্ত সুমন শেখ কথা দেন এই রিকশার দিয়ে সে তার জীবনের চাকা ঘুরাতে চান।

পাবনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কবীর মাহমুদ মাদকাসক্ত বন্দি সুমনের হাতে রিকশাটি তুলে দেন। এ সময় পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জাহেদ নেওয়াজ, সমাজ সেবা বিভাগের উপ-পরিচালক রাশেদ কবীর, জেল সুপার শাহ আলম খান, সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন অফিসার মো. পল্লব ইবনে শায়েখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ বার্তা সংস্থা পিপ‘কে জানান, পাবনা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় ৭ জন বন্দিকে পর্যায়ক্রমে রিকশা প্রদান করে পুর্নবাসন করা হবে।

…….. ……. …..

পাবনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কবীর মাহমুদ মাদকাসক্ত বন্দি সুমনের হাতে রিকশাটি তুলে দেন। এ সময় পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জাহেদ নেওয়াজ, সমাজ সেবা বিভাগের উপ-পরিচালক রাশেদ কবীর, জেল সুপার শাহ আলম খান, সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন অফিসার মো. পল্লব ইবনে শায়েখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সমাজসেবা কর্তৃপক্ষ বার্তা সংস্থা পিপ‘কে জানান, পাবনা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় মাদকাসক্ত ৭ জন বন্দিকে পর্যায়ক্রমে রিকশা প্রদান করে পুর্নবাসন করা হবে।