পাবনায় নতুন জাতের সফলতা, সারা বছরই আবাদ করা যাবে পেঁয়াজ

পাবনায়  গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বারি-৫ ও বারি-৬ উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছেন গবেষকরা। বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র (বিএআরআই) এর তত্ত্বাবধানে ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে নতুন জাতের পেঁয়াজ এর সফল আবাদও হয়েছে।

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বারি-৫ নতুন জাতের পেঁয়াজ সারা বছর রোপণ করা যাবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এ জাতের পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন ও চাষাবাদের বিষয়ে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ও অগ্রগামী পেঁয়াজ চাষীসহ ১৪০ জন কৃষককে এ পেঁয়াজ চাষে ধারণা দেয়া হয়েছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্ষার শেষে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে প্রতিবছর পেঁয়াজের সংকট হয়। ফলে, সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে প্রতিবছর পেঁয়াজের দাম বাড়ে। বারি-৫ ও বারি-৬ জাতের উচ্চফলনশীল এ পেঁয়াজ আবাদে বিঘা প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাবে। তাতে পেঁয়াজের স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি আমদানি নির্ভরতা নেমে আসবে শূন্যের কোঠায়। নতুন জাতের এ পেঁয়াজ আবাদের খরচ অপেক্ষাকৃত কম এবং ফলনও ভালো। কৃষক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে সফলতা এলে আগামী বছর থেকে নতুন জাতের এ পেঁয়াজ বাণিজ্যিকভাবে সারাদেশে আবাদের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এই উপলক্ষে পাবনার ঈশ্বরদী ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রর কৃষক কৃষানীদের নিয়ে বারি-৫ ও বারি-৫ পেয়াজ’র বগুড়া বিএআরআই, শিবগঞ্জ মুখ্য বৈজ্ঞানিককর্মকর্তা, মসলা গবেষণা কেন্দ্র’র ড. মোঃ হামিম রেজা’র সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষিগবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই ঈশ্বরদী’র পরিচালক ড. দেবা র্শীষ সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঈশ^রদী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ, জাতীয় কৃষিপদকপ্রাপ্ত কৃষক আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান আলী, ড. মোঃমাসুদ আলম ও ড. মোঃ নুরআলম চৌধুরী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, শিবগঞ্জ, বগুড়া।