পাবনায় তেলের গায়ে লেখা ১৬০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা!

ঈদের আগে থেকেই পাবনায় সয়াবিন তেলের চরম সংকট ছিল। গতকাল দাম বাড়ার পর রীতিমতো বাজার থেকে তেল উধাও হয়ে গেছে। তবে কিছু দোকানে পাওয়া গেলেও দাম আকাশছোঁয়া।

নতুন দাম শনিবার থেকে কার্যকরের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতেই বসুন্ধরা, ফ্রেস, তীর, পুষ্টি, রূপচাঁদাসহ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম রাখা হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত। অথচ এই সব তেলের বোতলের গায়ে লেখা ১৬০ টাকা লিটার! আর খোলা তেল রাখা হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা লিটার।

বৃহস্পতিবার (০৫‌ মে) ও শুক্রবার (০৬ মে) পাবনার বড় বাজার, লাইব্রেরি বাজার, কলেজ গেট বাজার, মাসুম বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

এদিকে বাজারে দোকানরা ইচ্ছে মতো দাম রাখলেও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কোনও তদারকি দেখা যায়নি। প্রশাসনের তদারকির অভাবে ব্যবসায়ী তেল নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার (০৫ মে) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় দেশের বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে প্রতি লিটারে ৩৮ টাকা।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৮ ও খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮৫ টাকা। একই সঙ্গে প্রতি লিটার পাম অয়েলের দাম ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিবের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, আগের চেয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলে লিটারপ্রতি ৩৮ টাকা এবং খোলা তেলে লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে সরকার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৬০ টাকা এবং খোলা তেলের দাম ১৩৬ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৭৬০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় এবার তা আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।