পাবনায় ফলাফল ঘোষণা, নৌকার ‘ঐতিহাসিক ভরাডুবি’!

চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাবনা সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের সব কয়টিতে বেসরকারি ভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের ঐতিহাসিক ভরাডুবি হয়েছে।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা কায়ছার আহমেদ। এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় ভোটগণনা শুরু হয়।

বেসরকারিভাবে ফলাফলে উপজেলার মালিগাছায় ঘোড়া প্রতীকের সৈয়দ মুনতাজ আলী , হিমায়েতপুরে মোটরসাইকেল প্রতীকের জাহাঙ্গীর আলম খান (আলম হাজী), দাপুনিয়ায় মোটরসাইকেল প্রতীকের ওমর ফারুক, আতাইকুলায় মোটরসাইকেল প্রতীকের শওকত হোসেন, চরতারাপুরে আনারস প্রতীকের সিদ্দিকুর রহমান খান, দোগাছিতে ঘোড়া প্রতীকের আলী হাসান, গয়েশপুরে আনারস প্রতীকের মোতাহার হোসেন, সাদুল্লাপুরে মোটরসাইকেল প্রতীকের আলীম মোল্লা ও মালঞ্চিতে কবির আহম্মেদ বাবুকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তারা সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে রবিবার কয়েকটি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ছাড়া দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। হেমায়েতপুরের নাজিরপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও নজরুল ইসলাম হাবু উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এজেন্টের বের করে দেয়া এবং চর ঘোষপুর মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এতে চরঘোষপুর কেন্দ্রে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। এছাড়াও আতাইকুলা ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে। ‌

জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চতুর্থ ধাপে পাবনার ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার মোতায়েনের পাশাপাশি বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশের মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং, স্ট্যান্ডবাই ফোর্স মোতায়েন করা ছিল।

error: কাজ হবি নানে ভাই। কপি-টপি বন্ধ