নানা অনিয়ম আর বর্জনে হলো পাবনার ৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ

নানা অনিয়ম আর বর্জনে মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার ৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা।

নানা অভিযোগ করে ভোট বর্জন করেন পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নয়ন। তাকে ভোট কেন্দ্র থেকে পুলিশের উপস্থিতিতেই বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) ভোট শুরুর পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট পরিদর্শনে গেলে বিএনপি মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নয়নকে মারধর করে নৌকার সমর্থকরা। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে জোর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে দাবি বিএনপি প্রার্থীর।

তার অভিযোগ, এভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। বুথ দখল করে সেখানে নৌকার এজেন্টরা ভোটারদের নৌকায় সিল মারতে বাধ্য করছে। তাই এ অনিয়মতান্ত্রিক ভোট তিনি বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে  সাঁথিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মোল্লা অভিযোগ করেছেন, ‘সকালে কর্মীদের নিয়ে সাঁথিয়া পাইলট স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়।’

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাঁথিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানের অভিযোগে কয়েকজন বহিরাগত যুবকের সাথে কথা কাটাকাটি হয় বলে বিএনপি প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন।  এ সময় তাকে নৌকার সমর্থকরা লাঞ্ছিত করে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

তবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।’

দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভার নির্বাচনে পাবনার ঈশ্বরদী, সাঁথিয়া, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এর মধ্যে ফরিদপুর পৌরসভায় ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চার পৌরসভার মধ্যে ভাঙ্গুড়া পৌর নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন এমপির পুত্র আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম হাসনায়েন রাসেলকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত ঘোষনা করেছেন নির্বাচন কমিশন।