‘একটি’ চাকরি চান দুই প্রেমিকাকে বিয়ে করা সেই রনি

ভালোবেসে একসঙ্গেই দুই প্রেমিকাকে বিয়ে করেন ২৫ বছর বয়সী রোহিনী চন্দ্র বর্মন রনি। একসঙ্গে স্বামীর ঘরে উঠতে পেরে দুই স্ত্রীই উচ্ছ্বসিত। খুশি তিন পরিবারের লোকজনও।

তবে তাদের আনন্দে এক ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রনির বেকারত্ব। তাই চাকরি জন্য সবার সহায়তা চেয়েছেন এ প্রেমিক পুরুষ। রনির বাড়ি পঞ্চগড়ের লক্ষীদ্বার এলাকায়।

তিনি যামিনী চন্দ্র বর্মনের ছেলে। তার প্রথম স্ত্রী ২০ বছরের ইতি রানী একই ইউনিয়নের গাঠিয়াপাড়া এলাকার গিরিশ চন্দ্রের মেয়ে। আর দ্বিতীয় স্ত্রী ১৮ বছরের মমতা রানী লক্ষীদ্বার এলাকার টোনোকিসর রায়ের মেয়ে। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে মেকানিক্যাল ট্রেডে ডিপ্লোমা করেছেন রনি। এক ভাই এক বোনসহ চারজনের সংসারে যোগ হয়েছে আরো দুই নতুন মুখ।

রোহিনী চন্দ্র বর্মন রনি বলেন, দুজনই আমাকে ভালোবাসেন। তাই দুজনকেই বিয়ে করেছি। এ বিয়েতে আমরা খুশি। তবে আমি এখনো উপার্জন করতে পারি না। এখন চাকরি খুঁজতে হবে।

জানা গেছে, ইতির সঙ্গে রনির দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। মন্দিরে গিয়ে তারা বিয়েও করেন। তবে বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন দুজনই। এর মধ্যেই মমতার সঙ্গে প্রেম হয় রনির। মাঝে মধ্যেই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। হঠাৎ এক রাতে মমতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন। এরপর ফেঁসে যান রনি।

১৩ এপ্রিল মমতা-রনির বিয়ের আয়োজন করা হয়। আর এ খবর শুনে রনির বাড়িতে অনশন শুরু করেন আগের স্ত্রী ইতি। এরপর তিন পরিবারের উপস্থিতিতে ২০ এপ্রিল রাতে পারিবারিকভাবে এক বরের সঙ্গে দুই প্রেমিকার বিয়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে রনির বাবা যামিনী চন্দ্র বর্মন বলেন, আমরা তিন পরিবার মিলে তাদের বিয়ে দিয়েছি। আমি দুই বৌমাকে মেনে নিয়েছি। আমার ছেলের কোনো চাকরি না থাকায় একটু সবাই সহযোগিতা করেন। আমার ছেলে যেন একটা চাকরি বা কিছু করতে পারে।