ডিআইজি হলেন পাবনার তিন কৃতিসন্তান

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) পদমর্যাদার ৩২ কর্মকর্তাকে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), গ্রেড-৩ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন পাবনার তিন কৃতিসন্তান ও পাবনায় দায়িত্ব পালন করা দুই সাবেক পুলিশ সুপার।

বুধবার (১১ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

পদোন্নতি পাওয়া তিন কৃতিসন্তান হলেন- মো. মোজাম্মেল হক, বিপিএম (বার), পিপিএম; মো. মাহবুবুর রহমান,বিপিএম, পিপিএম এবং মো. সাইফুল ইসলাম, বিপিএম। এছাড়াও পাবনা জেলার সাবেক দুই পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির ও মিরাজউদ্দীন আহমেদও ডিআইজি হিসেবে পদন্নোতি পেয়েছেন।

মোজাম্মেল হক
মোজাম্মেল হক ১৯৬৮ সালের ১৫ জানুয়ারি পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়ার কাশীপুর গ্রামে নানার বাড়িতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবাবে জন্মগ্রহন করেন। তবে তার পৈতিক নিবাস চাটমোহর উপজেলায়। তাঁর পিতার নাম আব্দুল জব্বার বিশ্বাস এবং মাতার নাম মোমেনা বেগম। ১৮তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি বিবাহিত। স্ত্রী সুলতানা হক (কণা) একজন সুগৃহিনী। তিনি মেধাবী দুই কন্যা এবং এক পুত্র সন্তানের জনক।

মো. মাহবুবুর রহমান
মো. মাহবুবুর রহমান, পিপিএম (বার) ১৯৭৩ সালের ০২ অক্টোবর পাবনা জেলার সদর উপজেলার শালগাড়ীয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাহার পিতা মরহুম আব্দুস সাত্তার, মাতা মরহুম রাবেয়া বেগম। তিনি ২০০১ সালের ৩১ মে ২০ তম বিসিএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি শিক্ষা জীবনে পাবনা জেলা স্কুল, সরকারী শহীদ বুলবুল কলেজ, সরকারী এডওয়ার্ড কলেজ পাবনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন। এক কন্যা ও এক ছেলের জনক মো. মাহবুবুর রহমাননের স্ত্রী ফারহানা চৌধুরী বাংলাদেশ বিমান-এ কর্মরত আছেন।

মো: সাইফুল ইসলাম
আর চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্ এন্ড ইন্টিলিজেন্স) থেকে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়া মো: সাইফুল ইসলাম বিপিএম (বার) এর বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার চর সাহাপুরের নতুনহাটে। বাবা মোজাহার আলীর মা আমেনা বেগমের ৭ সন্তানের মধ্যে তিনি ৬ষ্ট। তিনি ২৩তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ভাইদের মধ্যেই ৬ জনই বিসিএস ক্যাডার। তাদের মধ্যে একজন ডিআইজি হিসেবে অবসর নিয়েছেন, একজন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আরেকজন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত এবং বাকিরা সরকারের গুরুত্বপুর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।