পাবনায় আ.লীগ নেতা নিহত: সেই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে গ্রেফতার

পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আওয়ামী লীগ নেতা শামীম হোসেন নিহতের ঘটনায় ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তরিকুল আলম খান ওরফে নিলুকে গ্রেফতার করেছে পাবনা র‍্যাব-১২ ক্যাম্পের সদস্যরা। এসময় তার কাছ থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে ঈশ্বরদীর ফতেমোহাম্মদপুর এলাকা থেকে দলের এই বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে গ্রেফতার করে র‍্যাবের সদস্যরা।

গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে তার হেফাজতে থাকা ১টি বিদেশি পিস্তল ২টি ম্যগাজিন ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে র‍্যাব। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে অস্ত্রসহ পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার পরাজিত আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) এই চেয়ারম্যান প্রার্থীর স্ত্রী মালেকা বেগম ও তার এক‌ সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হেমায়েতপুরের নাজিরপুর হাটপাড়ায় ওই ইউনিয়নের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম মধু পরাজয়ের পর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আলোচনা করার সময় পরাজিত অপর প্রার্থী তারিকুল ইসলাম নিলু ও তার ছেলে ইমরান হোসেন খান তার লোকজন নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে মধুর নির্বাচনী এজেন্ট ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শামীম হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক শামীমের মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) চতুর্থ ধাপে হেমায়েতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মধু, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আলাউদ্দিন মালিথা ও নিলুসহ ৭ প্রার্থীকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হোন জামায়াতের নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম খান ওরফে আলম হাজী।

error: কাজ হবি নানে ভাই। কপি-টপি বন্ধ