পাবনায় দফায় দফায় বাড়ছে গো-খাদ্যের দাম

পাবনার বেড়া ও সাঁথিয়ায় গত পাঁচ বছরে গো-খাদ্যের দাম দফায় দফায় বাড়লেও একটুও বাড়েনি দুধের দাম। এ নিয়ে হতাশ খামারিরা। তারা চড়া দামে গোখাদ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। আয়-ব্যয়ের হিসাব মিলাতে না পেরে অনেক খামারি গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।

নাজমুল নামের সাঁিথয়ার এক খামারি ও জব্বেল আলী নামক এক ব্যবসায়িদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ৪/৫ বছর আগে বস্তা প্রতি ফিড ৪ শ টাকা থেকে ৫শ টাকা এবং গমের ভূসি বস্তাপ্রতি ৮শ টাকা থেকে ৯শ টাকা ছিল। ছোলার ভূসি ও চালের খুদ ৭শ টাকা থেকে ৮ শ টাকা আর লবন বস্তাপ্রতি ৩শ টাকায় পাওয়া যেত।

সম্প্রতি উপজেলার হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বস্তা ফিড ৮শ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা,গমের ভূসি প্রতি বস্তা ১৪শ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা, ছোলার ভূসি প্রতিবস্তা ১৪শ টাকা থেকে ১৫শ টাকা,চালের খুদ প্রতিবস্তা প্রতি বস্তা ১৬শ টাকা থেকে ১৭শ টাকা এবং লবন প্রতিবস্তা ৭২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

সাঁথিয়া বাজারের গো-খাদ্য ব্যবসায়ী মজিবর রহমান.রবিউল ইসলাম,ইব্রাহিম হোসেন বলেন, নেপিয়ার ও ভুট্রো ঘাস মুঠো আটি ৮/১০ টাকা এবং খর ৪শ টাকা মন।

সাঁথিয়া পৌরসভাধীন কোনাবাড়িয়া গ্রামের গরুর খামারি ওহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতি লিটার দুধ বিক্রি করছি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে। পাঁচ বছর আগেও একই দামে দুধ বিক্রি করেছি। এখন দুধ বিক্রির টাকায় গরুর খাবারও হচ্ছে না। এমন অবস্থায় গরু পালন করা যাবে না।

গোখাদ্য ব্যবসায়ি জব্বেল বলেন, তারা আজ যে দামে গোখাদ্য খুচরা বিক্রি করছেন, কাল আবার সে দামে পাইকারি কিনতে হচ্ছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জহুরুল ইসলাম বলেন,গোখাদ্যের দাম সহনশীল হওয়া প্রয়োজন।