করোনার সময়ও কোচিং সেন্টার চালু, পাবনায় শিক্ষকের অর্থদণ্ড

করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাবনায় কোচিং করানোর অপরাধে রবিউল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে ছয় হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন পাবনার ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আনাম সিদ্দিকী কাজিরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোচিং করা কালে ঐ শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করে এ দন্ডাদেশ দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানা যায়, বেড়া উপজেলার বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে করোনাকালে সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে কয়েকজন শিক্ষক কোচিং সেন্টার চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন খবরের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাকলা, হাটুরিয়া-নাকালিয়ার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ও কোচিং সেন্টাওে বেশ কয়েতটি অভিযান পরিচালনা করেন।

এরই ধারবাহিকতায় রোববার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কাজিরহাট বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন রবিউল ইসলাম নামের এক শিক্ষকের কোচিং সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এসময় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে প্রইভেটের নামে কোচিং বাণিজ্য চালানোর সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে ছয় হাজার টাকা অর্থদন্ড দেওয়া হয়। এর আগে সকাল সাতটার সময় কাশিনাথপুরের কয়েকটি শিক্ষকের বাসায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সটকে পরে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আনাম সিদ্দিকী জানান, সরকারী প্রজ্ঞাপন না মেনে শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর অপরাধে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে করোনা সংক্রমণ রোধ নিয়ন্ত্রণ নির্মুল ও প্রতিরোধ আইনে ছয় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নীতিমালা লঙ্ঘন করে প্রাইভেট-কোচিং পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলমান থাকবে বলেও তিনি জানান।