ইছামতি নদী উদ্ধারে স্থানীয়দের সোচ্চার হতে হবে: পাবনার ডিসি

পাবনা শহর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী উদ্ধারে স্থানীয়দের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পাবনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কবীর মাহমুদ।

বুধবার (৩০’ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পাবনার ইছামতি এবং বরাল নদী শীর্ষক উপকারভোগী সমন্বয় সভায় এই আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবীর মাহমুদ বলেন পরিবেশের ভারসাম্যতা রক্ষায় এবং আধুনিক পাবনা গড়তে ইছামতী নদীর অবৈধ দখল, দূষণ রোধ ও পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের সোচ্চার হতে হবে। পাবনার সকল মানুষের প্রাণের দাবি ইছামতী উদ্ধার হোক।

এ বিষয়ে পাবনা জেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের সমন্বয়কারী তন্ময় সান্যাল।

ইছামতী নদী উদ্ধার আন্দোলন’র উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাহাতাব উদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এবং আন্দোলন’র সভাপতি এস এম মাহবুব আলম’র সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিয়ুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোখলেছুর রহমান, পাবনা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান।

সভায় নদী বিষয়ক আলোচনা করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, ইছামতী নদী উদ্ধার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান, ইছামতি নদীর পূর্বাপর গ্রন্থের লেখক ড. মনছুর আলম, পাইওনিয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জেবুন্নেছা ববিন প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নদী জোট পাবনা জেলার সমন্বয়কারী ও এশিয়ান টিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি শফিক আল কামাল, পাবনা রিপোর্টাস ইউনিটি সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, কৃষিবিদ জাফর সাদেক, আসিয়াব’র ডিরেক্টর আব্দুস সামাদ, লেখক ও প্রবন্ধকার সৈয়দা কামরুন্নাহার শিল্পী, ওয়াই ডাব্লিউ সি এ পাবনার সাধারণ সম্পাদক হেনা গোস্বামী, সামছুল হুদা ডিগ্রি কলেজর সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান খোকন, বেড়া মঞ্জুর কাদের ডিগ্রি কলেজর প্রভাষক মোছা. রেজিনা খানম, সুপ্র’র সাধারণ সম্পাদক এম এ ছালাম, আইএনএস প্রধান সম্পাদক হাসান আলী,  বাঁচতে চাই নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রব মন্টু, আইনজীবী মীর ফজলুল করিম বাচ্চু, সুচিতা’র নির্বাহী পরিচালক নাছরিন পারভীন, টিএসপি নির্বাহী পরিচালক সরকার মোহাম্মদ, বরাল রক্ষা আন্দোলন’র সদস্য জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

নায্যতা, ন্যায়সঙ্গত এবং লিঙ্গ সমতার ভিত্তিতে কমিউনিটির ক্ষমতায়ন, প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশগত অধিকার সুরক্ষায় বেলা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি পরিবেশগত অধিকার বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা, স্টেকহোল্ডারদের প্রশিক্ষণ প্রদান, পলিসি এডভোকেসি, গবেষণার মাধ্যমে পরিবেশগত শাসন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বেলা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সেই সাথে পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষে বেলা আইনগত সহায়তা প্রদানসহ স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ প্রশাসনের দাবিকে উৎসাহিত করছে।