পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসককে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত ও স্টাফদের সঙ্গে অসদাচারণসহ নানা অভিযোগে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. ওমর ফারুক মীরকে হাসপাতালে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রবিবার (৮ মে) সকাল ১০টার দিকে আন্দোলরত হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন।

এদিন সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তারা হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। এতে হাসপাতালে স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষোভের কিছুক্ষণ পরে ৯টার দিকে নিজ অফিসে প্রবেশের চেষ্টা করেন ডা. ওমর ফারুক মীর। এসময় আন্দোলনকারীরা তাকে তার চেম্বারে ঢুকতে বাধা দেন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সাথে সহকারী পরিচালকের ধাক্কাধাক্কি হয়। চেম্বারে ঢুকতে ব্যর্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান সহকারী পরিচালক। পরে বিক্ষোভকারীরা সহকারী পরিচালককে হাসপাতালে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ- এই সহকারী পরিচালক হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়ে হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজ চালাচ্ছেন। সম্প্রতি পাবনা সদর উপজেলার টেবুনিয়া বাজার এলাকায় কতিপয় সন্ত্রাসী পাবনা জেনারেল হাসপাতালের নাক.কাল গলা বিশেজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান নয়নকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে। বিষয়টি হাসপাতালের পরিচালককে জানানো হলেন তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।

এব্যাপারে হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. ওমর ফারুক মীর বলেন, ‘হাসপাতালের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী হাসপাতালের নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম। সেই ক্ষোপেই তারা আমার বিরুদ্ধে আন্দোলণে নেমেছে। আমাকে কার্যালয়ে ঢুকতে দেয়নি। আমি ঢুকতে গেলে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।’

এবিষয়ে পাবনা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমিও শুনেছি। বিষয়টি বিভাগীয় পরিচালককে জানানো হয়েছে। তিনিই এবই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’