• আজ
  • শনিবার,
  • ২০শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • |
  • ৭ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ


Text_2

পাবনায় ছাত্রদল-পুলিশের সংঘর্ষ-গুলি, পুলিশসহ আহত ৪০, আটক ২৬

প্রকাশ: ১ জানু, ২০১৮ | রিপোর্ট করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনায় ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‌্যালীতে পুলিশের বাধা, লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ, গুলি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (০১ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের শহীদ আমিন উদ্দিন রোডের জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এতে ৯ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত: ৪০ জন আহত হয়েছে।

পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বলেন, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‌্যালী বের করার চেষ্টা করে। এ সময় র‌্যালীর অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় অতর্কিত পুলিশের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যে ৭ রউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও ৪১ রাউন্ড শর্ট গানের গুলি ছুড়ে।

এ সময় পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকসহ ৯ পুলিশ এবং জেলা ছাত্রদল সভাপতি হিমেল রানা, সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, এগ্রিকালচার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) মহাসচীব কৃষিবিদ হাসন জাফির তুহিন, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান তোতা, দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলামসহ অন্তত: ৩০ জন আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্য ও নেতাকর্মীরা পাবনা জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২৬ জনকে আটক করেছে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিমেল রানা বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে পুলিশ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আক্রমন করেছে। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে গত ৪ দিন পূর্বে পুলিশ সুপারের নিকট এই কর্মসূচীর কথা জানিয়ে আবেদন করা হয় এবং অনুলিপি পাবনা সদর থানায়ও দেওয়ার পরেও কেন পুলিশ আমাদের উপর এই ধরনের হামলা করেছেন আমাদের বোধগম্য নয়। অগনতান্ত্রিক সরকার ছাত্রদলের জনপ্রিয়তায় নেতাকর্মীদের উপর পুলিশী হামলা করেছে। এ ধরনের হামলা মামলা করে ছাত্রদলকে ঘরে আটকে রাখা যাবে না।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, আমিসহ আমাদের প্রায় ৪০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। ইতিমধ্যেই একজনকে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।