• আজ
  • শনিবার,
  • ২০শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • |
  • ৭ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ


Text_2

বিশ্বজয়ী তরুণী ঈশ্বরদীর মেয়ে মাহমুদা সুলতানা

প্রকাশ: ২ নভে, ২০১৭ | রিপোর্ট করেছেন নিজস্ব সংবাদদাতা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সবচেয়ে কনিষ্ঠ নারীকর্মী মাহমুদা সুলতানা। নাসা তাকে ‘বর্ষসেরা উদ্ভাবক’ ঘোষণা করেছে। পারমাণবিক স্কেল ‘গ্রট্টাফিন’ নিয়ে সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রাখায় তিনি এ খেতাব লাভ করেন। পাবনা’র ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রট্টামের গোলাম জাকারিয়ার মেয়ে মাহমুদা সুলতানা। তার এই পুরস্কারের জন্য পাবনা বার্তা ২৪ ডটকমকের পক্ষে থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি সুলতানার ন্যানো ম্যেটেরিয়াল নিয়ে গবেষণা ও মহাকাশে ক্ষুদ্র ও যুগান্তকারী ডিটেক্টর ও ডিভাইস তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৭ সালে তাকে ‘আইআরএডি ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করল। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে অবস্থিত নাসার গডার্ড মহাকাশ উড্ডয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ গবেষণা ও উন্নয়ন (আইআরএডি) কর্মসূচির অধীনে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর ‘আইআরএডি ইনোভেটর অব দি ইয়ার’ শিরোনামে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

এমআইটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রিট্ট শেষ করার পর নাসার ইনভেন্টর অব দ্য ইয়ার হিসেবে মনোনীত হওয়া ছাড়াও নাসায় যোগদান করার খুব অল্প সময়ের মধ্যে সুলতানা দারুণ সব কাজ করে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেন। এমআইটি জব ফেয়ারে মাহমুদাকে আবিষ্কার করেন স্টিভেনসন। যিনি নাসার গডার্ড ডিটেক্টর সিস্টেম ব্রাঞ্চ-এর নিয়োগ কর্মকর্তা। তিনি মাহমুদার মেধায় মুগ্ধ হয়ে তার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরই মধ্যে পর পর ১০টি নাসার অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

পাবনার মেয়ে মাহমুদা সুলতানা কিশোর বয়সে পরিবারের সাথে আমেরিকা যান। তার বড় চাচাও নাসার এমস রিসার্চ সেন্টারে ফিজিসিস্ট হিসেবে কাজ করেন। তাই ছোট বেলা থেকেই নাসার বিভিন্ন গবেষণা, অর্জন নিয়ে তার পড়াশুনা সম বয়সীযে কারো থেকে অনেক বেশী ছিলো, নাসাতে কাজ করার যে স্বপ্ন তিনি দেশে বসে দেখতে শুরু করেছিলেন, ২০১০ সালে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।