• আজ
  • মঙ্গলবার,
  • ২১শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
  • |
  • ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ


Text_2

প্রসঙ্গঃ নিরাপদ দুর্গোৎসব-নিরাপদ ধর্মানুষ্ঠন

প্রকাশ: ৮ সেপ্টে, ২০১৬ | রিপোর্ট করেছেন

সিডনীর কথামালা (২৮)

রণেশ মৈত্র

দেখতে দেখতে আরও একটি বছর পেরিয়ে এলাম। দুর্গোৎসব এসেই গেল প্রায়। বিদেশের মাটিতে বসেই এবার চর্তুবারের মত দূর্গোৎসবের সকল কর্মসূচী উপভোগ করবো। জেনে আনন্দিত হলাম, বাংলাদেশের অষ্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাঙালিরা এবার ছয়টি পৃক পৃক হলে ছয়টি মূর্তি উঠিয়ে পূজার আয়োজন করেছে। আমি ২০০৭-২০০৮ সালে মাত্র দুইটি পূজার আয়োজন দেখে গিয়েছিলাম। ২০০০ সালে দেখেছিলাম মাত্র একটি।

সিডনী বা অষ্ট্রেলিয়া এবং পৃথিবীর অপর অনেক দেশেই দুর্গোৎসবের আয়োজন প্রতি বছরই হয়ে থাকে। সর্বত্রই খোঁজ নিলে দেখা যাবে পূজা, অর্চনা-ভোগ-আরতি ইত্যাদি ধর্মীয় আচারাদি ছাড়াও আয়োজন করা হয়ে থাকে আলোচনা সভা-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও এ জাতীয় নানাবিধ অনুষ্ঠানের। কত বেশী নির্বিঘেড়ব নির্বিবাদে নিরাপদেই না অনুষ্ঠাগুলোর আয়োজন হয় যার ফলে বৈচিত্র্যে ভরপূর থাকে ঐ অনুষ্ঠানমালা। ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নানাদি সেরে নতুন পেষাক পরিধান করে গাড়ি নিয়ে সবাই সপরিবারে ছুটছেন পুজাঙ্গন অভিমুখে-তা সে কোন স্থায়ী মন্দিরেই হোক বা কোন হল বা মিলনায়তনেই হোক সেখানে সবাই গিয়ে একত্রিত হচ্ছেন, ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা খেলাধূলায় মত্ত হচ্ছে-বড়রা পূজার নানাবিধ আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত। আয়োজন সমাপ্ত হলে পুরোহিত ( না তাঁদেরকে কোথাও হত্যা করা বা হত্যার হুমকি দেওয়া হয় না) পূজায় বসেন দেবী প্রতিমার সামনে। নৈবেদ্য ভোগের পর দর্শক আয়োজন শত শত নারী-পুরুষ প্রাতরাশ করেন। ওদিকে পূজার কাজও চলতে থাকে। পূজা-ভোগ প্রভৃতি সমাপ্ত হলে সবাই মিলে দুপুরের আহারাদি শেষ করেন। যে সব ছেলেমেয়েরা নাচ, গান প্রভৃতি করবেন তারা পাশের কোন রুমে গিয়ে রিয়ার্সেল পর্বও সেরে নেয় অবসর পেল ইতোমধ্যে সন্ধার আগেই আমন্ত্রিত নানা ধর্ম-বিশ্বাসী সুধীজন এসে পড়েন। আপ্যায়ন করা হয় তাদের সবাইকে। অত:পর শুরু হয় আলোচনা সভা। এতে ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ নির্বিশেষে সুধীজনেরা অংশ গ্রহণ করেন। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । এগুলি রাত ১০টা ১১ টার দিকে শেষ হয়। অত:পর নৈশভোজ এবং তা শেষ হলে মন্দির বা হল সবাই মিলে পরিস্কার করে যায় যায় পরিবার-পরিজন নিয়ে নিজ নিজ বাসায় ফিরে আসা। পরদিন পুনরায় একই ধরণের আয়োজন।

কতই না নির্বিগেড়ব অনুষ্ঠানগুলি অনুষ্ঠিত হচ্ছে সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় যেমনটি হতো অভিজ্ঞ ভারতে ইংরেজ আমলে। পাকিস্তান আমলেও অনেকদিন বেশ ভালভাবেই নিরুপদ্রবে উৎসবের আয়োজন হতো যদিও কোন কোন বছরে সে শান্তিময় পরিবেশ বিঘিড়বত হয়েছে।

বাংলাদেশেও পূজার সংখ্যা প্রতি বছরেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এবার তা প্রকৃতই বাড়বে কি না বা তা অনেক কমে যাবে কি না জানি না। তবে শংশয়ের অন্ত নেই। বেশ কয়েকজন পুরোহিত গত দু’তিন মাসে খুন হয়েছেন-শত শত পুরোহিত হত্যার হুমকি পেয়েছেন-অনেকে এ দেশ ছেড়ে দিয়ে গোপনে পরিবার -পরিজন নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শুধুমাত্র জীবনের নিরাপত্তার অভাব জনিত কারণে। যাঁরা আছেন তাঁরা কতজন যে এবার পূজায় পৌরোহিত্য করতে সম্মত হবেন তাও অজানা।

ইতোমধ্যেই খবর পাচ্ছি বাংলাদেশের পূর্বে-পশ্চিমে-উত্তরে-দক্ষিণে নানা স্থানে নির্মিয়মান দূর্গা, লক্ষ্ম, সরস্বতী, কার্তিক গণেশ প্রভৃতি দেব-দেবীর মূর্তি ভাঙচুর হয়েছে। থানায় ঘটনাগুলি জানানো বা জি.ডি. করা হলে নিয়ম মাফিক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পূজার আয়োজনদের কাছে আশ্বাস দিয়ে জানিছেন আয়োজনকদেরকে যথারীতি আশ্বাস দিয়ে বলেছেন “পুলিশী তৎপরতা বাড়ানো হবে-একজন অপরাধীকেও ছাড়া হবে না।” ব্যস, ঐ পর্য্যন্তই। তার পরে আর কোন নড়ন চড়ণ প্রত্যক্ষ করা যায় না=কাউকে গ্রেফতারের খবরও তেমন একটা পাওয়া যায় না। প্রতিমা ভাংচুরের হাজারো ঘটনা ঘটলে সে ব্যাপারে অপরাধীদের ক্ষেত্রে এমনটাই যেন সরকারী নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধরপাকড় দু‘ একটা ক্ষেত্রে ঘটলেও অপরাধীদের ছাড়া পেতে খুব একটা দেরী হয় না-জামিন পেয়ে যায়-অত:পর (মাকর্দ্দমার ফাইলে রিপোট) ব্যস। এরপর আর অপরাধীদের পায় কে? তারা হয় নতুন করে উৎসাহিত পেয়ে যায় সাহসে শাসনে এবং ঘটায় নতুন নতুন ঘটনা।

বুঝতে পারিনা “ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত” বিষয়টা কি ? মন্দির পোড়ালে বা মূর্তি ভাংলে কি হিন্দুদের ধর্মীয় অনূভূতিতে আঘাত লাগে নাকি লাগে না ? আঘাত লাগে ? সরকারী আইনে সম্ভবত : তাদের অনুভূতিতে আঘাত লাঘে সম্ভবত তাদের অঘাত লাগো না শুধুমাত্র বাংলাদেশের ক্ষেত্রে। যদি লাগতো তা হলে বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পরে এ যাবত যতগুলি মন্দির পোড়ানো এবং মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে তাতে কম করে হলেও লাখ খানেক অপরাধীর অন্তত: দশ বছর করে জেল জরিমান হতো। কিন্তু একটিরও হয়ে নি। গীর্জা ভাংচুরের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। তবে কি আইনে লেখা আছে যে “যা” কিছুই করা হোক-মন্দির পোড়ানো, গীর্জা পোড়ানো, মূর্তি ভাংচুর, পুরোহিত হত্যা প্রভৃতি যতকিছু ঘটুক- যেহেতু লোকসংখ্যার গণনায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টানরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু – তাই কোন কিছুকেই তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে গণ্য করা হবে না। শুধুমাত্র ধর্মীয় সংখ্যাগুরু মুসলিমদের পালিত ধর্ম ইসলাম সম্পর্কে আকারে-ইংগিতে-সামান্যতম কটূক্তি করলে বা মসজিদে কেউ কোন কিছু করলে তাকে “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ” বলে গণ্য করা হবে। আইনে এমন কথা লেখা না থাকলেও সরকারী আচরণে জনগণ , বিশেষ করে সন্ত্রাসী, জঙ্গী, অপরাধীরা দিব্যি তাই বুঝে নিয়েছে। তাই, একের পর এক এবং প্রতি বছরই (কখনও বা সারা বছর জুরে) তারা চালিয়ে যাচ্ছে-মূর্তি ভাঙ্গা, মন্দির-গীর্জায় অগিড়বসংযোগ প্রভৃতি অভিযান অত্যন্ত বেপরোয়া ভাবে।

সংখ্যলঘু-সংখ্যাগুরু প্রশড়বটি যখন তুলেই ফেলেছি তখন সিডনীর অভিজ্ঞতাটাও বলা ভাল। এখানেও হিন্দুরা সংখ্যালঘু, মুসলিমরাও। কারণ এখানে সংঘ্যাগুরু খৃষ্টান সম্প্রদায়। কিন্তু এক মুহুর্তও কোন হিন্দু বা মুসলমানকে অনুভব করতে দেখি না যে তারা সংখ্যালঘু- খৃষ্টানদেরকেও দেখি না নিজেদেরকে সংখ্যাগুরু হিসেবে ভাবতে বা অন্যদের সাথে তেমন আচরণ করতে। সকলে সমান ধর্ম-সম্প্রদায়-লিঙ্গ নির্বিশেষে সংবিধানের এই উক্তির পরিপূর্ণ এবং যথার্থ প্রয়োগ প্রতিদিন স্বাভাবিকভাবেই ঘটছে এখানে।

সেপ্টেম্বর ৩ তারিখের পত্র পত্রিকায় দেখলাম, গত শুক্রবারে জুমার নামাযের সময় সিলেটে নিকটবর্তী ইস্কন মন্দির থেকে কোন একটা পূজা উপলক্ষ্যে বাদ্য বাজনার আওয়াজ ভেসে আসায় মন্দিরে তাৎক্ষনিক আক্রমণ করা হয়। কী ভয়ংকর কথা। প্রকাশ্যে দিবাভাগে সিলেটে এমনটা ঘটলো। মসজিদ-মন্দির পাশাপাশি থাকলে মাইকে আওয়াজ আসবে এমনটি তো ঘটতেই পারে। কেউ তো অপরের ধর্ম বিরোধী কোন কাজ করে নি-নিজ নিজ ধর্ম পালন করেছে মাত্র। কর্তৃপক্ষ কি মসজিদ-মন্দিরের মাইক্রোরফোনের আওয়াজ সারা দেশেই অত্যন্ত সীমিত পর্য্যায়ে রাখার বাধ্যতামূলক আইন প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন করবেন? অষ্ট্রেলিয়ায় গীর্জা, মসজিদ-মন্দির সবই আছে। সর্বত্র কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় মাইক্রোফোনের আওয়াজ যাতে গীর্জা, মসজিদ বা মন্দিরের ভেতরে ঐ আওয়াজ শুনা যায় – বাইরে কাকপক্ষীটিও যেন সে আওয়াজ শুনতে না পায়। এমন আইন বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে। যদিও কাঠ মোল্লারা এর বিরোধিতায় মাঠে নামবে হয়তো বা।

সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু দিয়ে তো আইন ও বিচার কাজ চলতে পারে না। তার জন্যে রয়েছে আমাদের সংবিধান। যদিও মুক্তিযুদ্ধের তাবৎ মৌলিক অর্জন ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে ঐ সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীতে “বিসমিল্লাহ” সংযোজন, “জামায়াতে ইসলামী ও ধর্ম ভিত্তিক সংগঠনগুলোকে বৈধতা প্রদান” ও “রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে” সনিড়ববেষ্ঠিত করার মাধ্যমে। ফলে রাজনীতি ও সমাজকে ইসলামীকরণ শুরু হয়েছে। তারই প্রতিফলন ঘটছে উগ্রবাদ ও জঙ্গীবাদের উত্থানের প্রক্রিয়ায়। এ এক ভয়াবহ পথে যাত্রা শুরু করেছে আমাদের রক্তশ্রুতি বাংলাদেশ। বিদেশী বহু সার্টিফিকেট জুটছে ধর্মনিরপেক্ষতা-গণন্ত্র ও উনড়বয়নের নামে বটে কিন্তু সেটা নেহায়েতই উপরের ব্যাপার। ভেতরাটায় ধরেছে মারত্মক পচন-যা নানাভাবে রাষ্ট্রীয় ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে।

আর এই সব কিছু সঙ্গে নিয়েই তো এসে যাচ্ছে দুর্গোৎসব। কেমন হবে, কতটা শান্তিপূর্ণ হবে, হিন্দু সম্প্রদায় কতটা মনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারছেন নিজেদের, পুরোহিতদের , প্রতিমার ও মন্দির সমূহের তো এতদূর থেকে বলে উঠতে পারছি না। তবে এটুকু জানি- এবার দুর্গোৎসব পালনের জন্য বিস্তর টাকা পয়সা-চাল-গম কাপড়-চোপড় (সবই রিলিফ তথা খয়রাতি হিসেবে) দেওয়া হবে যাতে পূজায় সকলে উদ্বুদ্ধ হয় এবং মন্দিরগুলিতে পূজার দিন ও রাতগুলিতে পুলিশী ব্যবস্থারও ঘাটতি ঘটবে না। প্রশড়ব কিন্তু তবু থেকেই যায় – মানুষ খুন নয়, কারও বাড়ীঘর লুঠপাট নয়, কারও শরীরে বিন্দুমাত্র আঘাত প্রদানও নয়-স্রেফে শান্তিপূর্ণভাবে ক’টি পূজা-অর্চনা-আরতি প্রভৃতি নিজ নিজ মন্দিরে সমাধা করার জন্যে এত পুলিশী ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিচ্ছে কেন? বাকী দিনগুলির নিরাপত্তার নিশ্চয়তাই বা কোথায়?

রাষ্ট্রের ইসলামী করণের অবশ্যসম্ভাবী পরিণতি হিসেবেই যে উগ্রবাদ, জঙ্গীবাদের উত্থান সম্ভব হয়েছে তা আগেই উল্লেখিত করেছি। সেই বীভৎস জঙ্গীবাদ আজ কিন্তু ব্যুমেরায় হয়েও ফিরে আসছে। তাই আমরা দেখি কখনও কখনও মসজিদ/ইমামকেও আক্রান্ত হতে এবং দেখি বৃহৎ মুসলিম উৎসের ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযাহা প্রভৃতিও ব্যাপক পুলিশী প্রহরাধীনে আয়োজিত হতে। শুধুমাত্র এটা নয় যে পুরোহিত এবং মন্দিরেই আক্রান্ত হচ্ছে-বাস্তবে ইসলামী ধর্মীয় উৎসব এবং ইমামদেরও নিরাপত্তহীনতার উদ্ভব ঘটেছে। আর এই অংশ জঙ্গী মুসলিমানুদের ক্রিয়াকলাপের ফলেই।

এই রোগের নিরাময়ের জন্য প্রয়োজন বহুমুখী উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা। প্রমেই আমাদের রাষ্ট্রকে করে তুলতে হবে পরিপূর্ণ ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অর্থাৎ-

এক. সংবিধান থেকে “বিসমিল্লাহ” জামায়াত ইসলামাী ও অপরাপর ধর্ম ভিত্তিক সংগঠনের বৈধতা এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করতে হবে।

দুই. অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মুক্ত করে ঐ সম্পত্তিসমূহের প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া জরুরী ভিত্তিতে ডিসেম্বর, ২০১৬ এর মধ্যে সম্পনড়ব করতে হবে;

তিন. ২০০১ এবং তার পরবর্তী তে অদ্যবধি সংঘটিত সকল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিচার এবং তার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল অবিলম্বে গঠন;

চার. সকল মন্দির/মসজিদত ভাংচুর, পুরোহিত/ইমাম হত্যা ও তাঁদের উপর হামলা ও হত্যার হুমকির বিচারের ব্যবস্থা প্রহণ ও সেগুলি বাবদ উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং

পাঁচ. সকল যুদ্ধপরাধীর তাবৎ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে তা মুক্তিযোদ্ধদের কল্যাণে উৎসর্গ করা। এভাবেই দুর্গোৎসব সহ সকল ধর্মীয় উৎসব অনেকাংশে নিরাপদে করা সম্ভব।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিষ্ট