• আজ
  • শনিবার,
  • ২৩শে মার্চ, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৯ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ


Text_2

সাঁথিয়ায় শ্রেণী কক্ষের অভাবে খোলা আকাশের নীচে পাঠদান

প্রকাশ: ১৩ মার্চ, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন নিজস্ব সংবাদদাতা

পাবনার সাঁথিয়া গৌরিগ্রাম ফাতেহিয়া সিনিয়র মাদরাসায় শ্রেণী কক্ষের অভাবে মাঠের মধ্যে খোলা আকাশের নীচে ক্লাস নিতে হচ্ছে শিক্ষকদের। প্রায় ৮২ বছর বয়স হলেও সরকারী অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি প্রতিষ্ঠানটিতে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে ওই মাদরাসাটিতে।

জানা যায়, সাঁথিয়া উপজেলাধীন গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের একমাত্র প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গৌরীগ্রাম ফাতেহিয়া সিনিয়র মাদরাসা। ১৯৩৭ খ্রিঃ এ মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এমপিও ভূক্ত হয় ১৯৮৫ সালে। আজ পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনো ভবন তৈরি হয়নি এই প্র তিষ্ঠানটিতে। মাদরাসার নিজস্ব অর্থায়নে দুইটি দ্বিতল ভবন ও চারটি টিনের ঘর তৈরি করে পাঠাদান চলছিল। দিনকে দিন শিক্ষার্থী বেশী হওয়ায় শ্রেণী কক্ষে ছাত্র/ছাত্রীদের সংকুলান হচ্ছে না মাদরাসাটিতে। বর্তমানে ওই মাদরাসাটিতে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭৫০ জন। যে কয়েকটা শ্রেণী কক্ষ রয়েছে তাতে জায়গা না হওয়ায় খোলা আকাশের নীচে পাঠদান করাতে হচ্ছে শিক্ষকদের। সামনে ঝড় বৃষ্টির দিন আসছে এ নিয়ে শংকায় রয়েছে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থীরা।

সরজমিনে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় মাদরাসাটির দুটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন অনেক পুরাতন হওয়ায় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। শ্রেণী কক্ষ না থাকায় ওই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করছে শিক্ষকেরা। শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে অত্র মাদরাসায় একটি বহুতল বিশিষ্ট একটি ভবন করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।




গৌরিগ্রাম ফাতেহিয়া সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আক্কাস আলী জানান, ছাত্র/ছাত্রী বেশী হওয়াতে শ্রেণী কক্ষের সংকটে রয়েছি আমরা। মাদরাসাটির দুটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সরকারী অনুদানে অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি এ মাদরাসাটিতে। কিছুদিন আগে মাদরাসার সভাপতি হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার জানাযায় এসে স্থানীয় সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকু এমপি মহোদয় ভবনের জন্য একটি ডিও লেটার দিয়েছেন। সেটা মন্ত্রণালয়ে জমা রয়েছে। মাদরাসাটিতে একটি ভবন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই মাদরাসাটিতে শিক্ষার মান অনেক ভাল। ছাত্র/ছাত্রীও অনেক বেশী হওয়ার কারণে একটা ভবন জরুরি। সরকারী অনুদান এলে ওই মাদরাসার জন্য একটি ভবনের সুপারিশ থাকবে আমার।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,শ্রেণী কক্ষের সংকটের কথা তারা আমাকে কোনদিন বলেন নাই। যদি সংকট হয়েই থাকে সরকারী অনুদান এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।