• আজ
  • বৃহস্পতিবার,
  • ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Text_2

সপ্তম দিনেও বিক্ষোভ উত্তাল পাবিপ্রবি, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: ৫ নভে, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক

উপাচার্য অধ্যাপক ড. রোস্তম আলী সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পদত্যাগের একদফা দাবিতে আজও বিক্ষোভ করেছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সপ্তম দিনের মতো সকাল থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করে তারা। শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবি মানা না হলে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধসহ লাল কার্ড প্রর্দশনীর হুশিয়ারী দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জনান, সম্প্রতি ফাঁস হওয়া পাবিপ্রবি উপাচার্য ড. এম রোস্তম আলীর কাছে চাকরী প্রার্থীর ঘুষ ফেরত চাওয়ার অডিও তদন্তসহ ১২ দফা দাবি পূরণে আন্দোলন করে আসছেন তারা। কিন্তু দাবী পূরণে বেঁধে দেয়া সময়সীমা পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাই উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে গত বুধবার (৩০ নভেম্বর) থেকে আন্দোলন শুরু করে তারা। আগামী ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আগেই দাবি বাস্তবায়ন চান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের দাবি কথা আলোচনায় না বসে রবিবার রাতে গোপনে বিশ^বিদ্যালয়ের বাংলো ছেড়ে পালিয়ে যায় ভিসি স্যার। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ভিসি স্যার সোমবার রাতে ফিরে আসেন ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীরা বলেন, ভিসি স্যার সকল বিভাগীয় প্রধানদের ফোনের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা এবং আন্দোলন বন্ধ করার জন্য সকল ধরনের কার্যক্রম আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন এই দূর্নীতি গ্রস্থ অযোগ্য ভিসি সাধারন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হতে দেয়া হবে না। আগামী কাল ভিসি স্যার এবং অযোগ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রর্দশন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তারা।

এদিকে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে সংকট নিরসনের জন্য জরুরী ভিত্তিতে প্রভোস্ট, অনুষদ ডিন, প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্ঠাদের নিয়ে জরুরী বৈঠক করে ১০ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান প্রক্টর। কমিটির প্রধান বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট মোঃ সাইফুল ইসলামকে সমন্বয়ক করে তার উপর দায়িত্ব প্রদান করা হলেরও তিনি এই দায়িত্বের কথা অস্বীকার করে বলেন মৌখিক ভাবে আমাকে বলা হয়েছে। আমি এই ধরনের কোন দায়িত্ব গ্রহণ করি নাই। তবে ভিসি স্যারের কথার জন্য আমরা ছাত্রদের ডেকে ছিলাম তারা ভিসি স্যার ছাড়া আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি। পরে আর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হয়নি বলে জানান তিনি। কিন্তু দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষকেরা এখনো ছাত্রদের সাথে কোন ধরনের আলোচনায় বসেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।