• আজ
  • মঙ্গলবার,
  • ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Text_2

শোক দিবসের কর্মসূচি নেই, বুলবুল কলেজের সব শিক্ষকের অপরসারণ চায় ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ২০ আগ, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পাবনার সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজে আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি ছিল না। এই অভিযোগে কলেজের অধ্যক্ষসহ সব শিক্ষকের অপরাসণ দাবি করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ‌‌‘ সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজ, সচেতন ছাত্র সমাজ’র ব্যানারে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মানবন্ধনসহ বিক্ষোভ মিছিল করেন। বেলা সারে ১১টার দিকে কলেজ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে তারা।

পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শিবলী সাদিক’র সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বুলবুল কলেজের সাবেক ছাত্র নেতা শেখ শাকিরুল ইসলাম রনি, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসেন, বুলবুল কলেজের ছাত্র নেতা মিজানুর রহমান সবুজ, মেহেদী হাসান, আফজাল হোসেন, ময়ণা খাতুন, শরিফুল ইসলাম, সাব্বির আহম্মেদ, সুমন হোসন প্রমুখ।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৫ আগস্ট ছিলো ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী। জাতীয় শোক দিবসে সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেছে। এ দিনে পাবনার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজে অধ্যক্ষসহ প্রায় ২৫জন সাধারন শিক্ষক সেই কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন নাই।’

তাদের অভিযোগ, ‘প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়ে জাতীয় শোক দিবসে অনুপস্থিত হয়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবৃদ্ধই করেন নাই কলেজের অধ্যক্ষ জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানকে অপমাণ করেছেন। ৪২ জন শিক্ষকের মধ্যে সেইদিন মাত্র ১১ জন শিক্ষক উপস্থিত হয়েছেন। শুধু মাত্র লোক দেখানো পুষ্পার্ঘ অর্পণ আর ফটোসেশন করে চলে গেছেন সকলে। বিষয়টি অধ্যয়নরত সাধারন শিক্ষার্থী, কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী, ছাত্রনেতাসহ পাবনার মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষদের প্রশ্লের সম্মুখিন করেছেন।’

২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, ‘স্যোশাল মিডিয়াতে বিষয়টি নিয়ে সারা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ধিক্কার জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানসহ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। তাই আমরা সচেতন পাবনাবাসী মনে করি যারা ১৫ আগস্টকে অবমাননা করে তারা আর্দশিক জায়গাতে বুকে অন্য কিছু ধারণ করে। তাই অনতিবিলম্বে অত্র কলেজের অধ্যক্ষসহ শোকদিবস অবমাননাকারী সকল শিক্ষকের অপসারনের দাবীতে ২৪ ঘণ্টা আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।’

পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি স্মরকলিপি প্রদান করেন।