• আজ
  • শনিবার,
  • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Text_2

লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচা মরিচের দাম, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

প্রকাশ: ১২ জুলা, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন মহিদুল খান, চাটমোহর

পাবনার চাটমোহরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচা মরিচের দাম। এতে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ ক্রেতাদের। আমদানি ও ফলন কম এবং বৃষ্টির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে- এ কথা বলছেন কাঁচা মরিচ বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা।  ৪০টা কেজি দরের কাঁচা মরিচ ৫/৭দিনের ব্যবধানে প্রায় তিনগুন বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকা দরে।
চাটমোহর বাজার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম কুমার সরকার বলছেন, কেনা-বেচায় লাভের রেসিও (অনুপাত) ঠিক না রেখে যদি সিণ্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হয়, তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১২জুলাই) সকালে চাটমোহর নতুনবাজার কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় কম পরিমাণ মরিচ কিনছেন  ক্রেতারা।
জাবরকোল এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই বলছিলেন, দাম বেশি হলেও তো কিছু করার নেই। খাওয়া তো লাগবে। এখন আড়াই শ’ গ্রাম কিনছি। দাম কম থাকলে হাফ কেজি কিনতাম।
কাঁচা বাজারের দোকানি ইদ্রিস আলী বলছিলেন, আড়তেই দাম ৮০ টাকা কেজি।  খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। গতকাল (১১জুলাই) এ দাম ছিল ৮০টাকা। পাইকারি দর ছিল ৬৫টাকা। তিনি আরও জানাচ্ছিলেন, ৫/৭দিন আগেও খুচরা দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪০-৫০টাকা।
আড়ৎদার সিরাজুল ইসলাম বলছেন, আমদানি নেই আড়তে। বৃষ্টির কারণে কৃষক মরিচ তুলতে পারছেন না। মরিচের ফলনও কমে গেছে। আমদানি কমে যাওয়ার কারণেই মরিচের দাম বাড়ছে। আবহাওয়া ভালো হলে এবং আমদানি বেশি হলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে জানান তিনি।
চাটমোহর ব্যবসায়ী সমতিতির সভাপতি কে এম বেলাল হোসেন স্বপন বলছেন, সাপ্লাই কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।  কৃষক জমি থেকে মরিচ তুলতে পারেনি বৃষ্টির জন্য।  চাটমোহরে মরিচ আমদানি হয় সাঁথিয়া এলাকা থেকে। সেখান থেকেও মরিচ কম আসছে। ফলে মরিচের বাজার একটু অস্থিতিশীল হয়েছে। কাঁচাবাজার বরাবরই আমদানি নির্ভর উল্লেখ করে তিনি জানান, আমদানি বাড়লে ও আব আবহাওয়া ঠিক হলেই কাচা মরিচের বাজার স্থিতিশীল হবে।
চাটমোহর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্র জানায়, চাটমোহর ৭৫ভাগ মরিচ আমদানি হয়। বগুড়া অঞ্চল থেকে এ মরিচ বেশি আসে।
চাটমোহর বাজার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম কুমার বলেন, এখনি খোঁজ নিচ্ছি। সিণ্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেনা- বেচায় লাভের রেসিও (নির্ধারিত অনুপাত) ঠিক রেখেই বিক্রি করতে হবে।