• আজ
  • মঙ্গলবার,
  • ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Text_2

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উঠেনি জাতীয় পতাকা, মানা হয়নি নিয়ম

প্রকাশ: ১৫ আগ, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন মহিদুল খান, চাটমোহর

জাতীয় শোক দিবসে পাবনার চাটমোহরের বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকা। উত্তোলনে মানা হয়নি আইন ও নিয়ম। থানা সদরের বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উঠেছে এ অভিযোগ। এ নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যবেক্ষণ কমিটির কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। ফলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে সচেতন মহলে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, থানা সদরের বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকা। জাতীয় পতাকা উঠেনি বেশ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও। কেউ কেউ জাতীয় পতাকা উড়িয়েছেন কুঞ্চির (বাঁশের কাণ্ড) সাথে বেঁধে। অনেকেই শুধু কালো পতাকা তুলেছেন।
বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন, জানতে চাইলে বাংলাদেশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো বলছিলেন, ‘সর্ষের মধ্যেই ভুত’ আছে। তাই এ অবস্থা। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানাচ্ছিলেন, উপজেলা প্রশাসন দিবসটি পালনে তেমন উদ্যোগ নেয়নি। কয়েকজন লোককে ডেকে নামকাওয়াস্তে দিবসটি পালন করছে। প্রশাসনের মধ্যে সুযোগ সন্ধানী ও স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি খোলশ পাল্টে বসে আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চাটমোহর উপজেলা শাখার সাবেক কমাণ্ডার মোজাহারুল হকের কথায়, সচেতনতার অভাবে এমনটা ঘটছে। আগের দিন(১৪ আগষ্ট) মাইকিং করলে এমনটা হতো না। তিনি জানাচ্ছিলেন, ইউএনও অফিস ছুটি আজ (১৫আগষ্ট)।  তিনি ( ইউএনও) অসুস্থ। শুনলাম তিনি নাকি ফিরেছেন। কি করবো? বাধ্য হয়ে আমরাই ( মুক্তিযোদ্ধা সংসদ) দিবসটি পালন করলাম।
দিবসটিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যবেক্ষণ  নিয়ে একটি উপ-কমিটি গঠণ করেছিল উপজেলা প্রশাসন। সেই কমিটির আহবায়ক ও চাটমোহর থানার অফিসার্স ইনচার্জ( ওসি) শেখ নাসীর উদ্দিন বলছেন, আমরাও (কমিটি) ঘুরে ঘুরে দেখছি। যারা নির্দেশ মানেননি,তারা অন্যায় করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জানান, উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবো।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম কুমার সরকার বলছিলেন, সঠিক নিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করলে, সেটা অবশ্যই জাতীয় পতাকার অবমাননা। কেউ কেউ হয়তো আনাড়িভাবে এটা করেছে। আপনারা তথ্য দিলে অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবো। অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি তাদের (উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার) সাথে দ্বিমত পোষণ করছি।  সভাপতি সাহেব আমার ডাকা মিটিংয়ে আসেন না। সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলোচনা করেই কর্মসুচি দেওয়া হয়েছে।