• আজ
  • বুধবার,
  • ২১শে আগস্ট, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ


Text_2

বিক্রি বন্ধ, রাস্তায় দুধ ঢেলে প্রতিবাদ

প্রকাশ: ২৯ জুলা, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪টি কোম্পানির পাস্তুরিত তরল দুধ উৎপাদন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনায় পাবনায় খামারীদের কাছ থেকে দুগ্ধ সংগ্রহ বন্ধ করে দিয়েছে কোম্পানীরা। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন পাবনা ও সিরাজগঞ্জের লক্ষাধিক গোখামারী।

সোমবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে কোথায় দুধ বিক্রি করতে না পেরে হতাশায় ভাঙ্গুড়া বাজারে প্রায় চারশ লিটার দুধ রাস্তায় ঢেলে প্রতিবাদ করেছেন তারা।

বিক্ষুব্ধ খামারীরা জানান, পাবনার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, বেড়া ও সাঁথিয়া, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, উল্লাপাড়াসহ আশেপাশের উপজেলার ১৫ হাজার দুগ্ধ খামার থেকে প্রতিদিন আড়াই লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। যা রাষ্ট্রায়ত্ত মিল্কভিটাসহ চারটি কোম্পানিতে সরবরাহ হয়। হাইকোর্টের নির্দেশনায় এসব কোম্পানির উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্তে দুগ্ধ সংগ্রহ বন্ধ থাকায় ১০ থেকে ১২ টাকা দরে বিক্রি করেও মিলছে না ক্রেতা।

বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচলনা করা এসব দুগ্ধ খামারীরা পড়েছেন চরম দুঃশ্চিন্তায়। ক্ষুদ্র খামারীদের উৎপাদিত দুধ বিক্রিতে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেছেন তারা।

খামারিদের সংগঠনগুলোর সমন্বয়ক হারুনুর রশিদ বলেন, ‌‘আমরা প্রতিদিন প্রায় চার হাজার লিটার দুধ উৎপাদন করে থাকি। সেসব দুধ বিক্রি করি চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছে। এ দিয়েই আমাদের জীবন-জীবিকা চলে। এখন হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক চারটি প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে দুধ কেনা বন্ধ রেখেছে। এখন আমরা কীভাবে বাঁচবো?’

মিল্ক ভিটার ভাঙ্গুরা সংগ্রহ ইউনিটের ইনচার্জ আশরাফ-উজ-জামান বলেন, ‘যেহেতু হাইকোর্ট দুধ উৎপাদন ও কেনা-বেচায় পাঁচ সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন সেহেতু আমরা সেই নির্ধারিত সময়ের জন্যে দুধ কেনা বন্ধ রেখেছি।’

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান মিল্ক ভিটা সারা দেশে ১ লাখ খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানগুলো শুধুমাত্র দেশের উত্তরাঞ্চলের ২ লাখ খামারিদের কাছ থেকে প্রতিদিন ৮ লিটার দুধ সংগ্রহ করে থাকে।