• আজ
  • বৃহস্পতিবার,
  • ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Text_2

বাড়ির পাশেই পুকুরে ছিল ফিরোজের লাশ

প্রকাশ: ১ নভে, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন বিশেষ প্রতিনিধি, চাটমোহর

বাড়ির পাশেই নিজেদের পুকুরের ধারে আবাদি কচুর পালান থেকে ফিরোজ হোসেনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ লাশটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার চাটমোহরের দয়রামপুর গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন ডিবিগ্রাম ইউপি সদস্য আব্দুর বারিক। তার কথায়, পুকুরে ধারে কচুর পালানের ভেতরে পড়ে ছিল ফিরোজের লাশ। বাড়ির পাশের পুকুরটা ফিরোজদেরই। সকালে লাশটি দেখেন স্বজনসহ এলাকাবাসী। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে।
ডিবিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবীর উদ্দিন বলছেন, ফিরোজের গলায় রশি পেচানোর দুটি দাগ আছে। মাথায় আছে আঘাতের চিহ্ন। এটা হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে।
পরিবারের বরাত দিয়ে চাটমোহর থানার ওসি শেখ নাসীর উদ্দিন বলছেন, রাত দশটার দিকে ঘর থেকে বের হয় ফিরোজ হোসেন। দুই ভাই এক সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। সকালে ফিরোজের চাচাতো ভাই কচুর পালানের ভেতর লাশটি প্রথম দেখেন। তার চিৎকারে বাড়ির সদস্যদের ঘুম ভাঙ্গে।
ওসি জানান, কাপড় জাতীয় কিছু একটা দিয়ে গলায় পেচিয়ে হত্যা করা হয়েছে ফিরোজ হোসেনকে। পরকীয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
শেখ নাসীর উদ্দিনের কথায় , ফিরোজ হোসেন দয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা আক্কাস আলী প্রামানিকের ছেলে। এসএসসি পাশ ফিরোজ পড়াশোনার পাশাপাশি সিমের ব্যবসা করতেন। আক্কাস আলীর দুই ছেলের মধ্যে ফিরোজ ছোট। এলাকার মানুষ ফিরোজকে ভালো ছেলে হিসেবেই জানে। সে এলাকার মডেল। পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনায় এখনও কাউকে সন্দেহ করেনি। তাই কাউকে আটক করা হয়নি।
সহকারি পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) সজিব শাহরিন বলছেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। কোন ক্লু এখনও পাওয়া যায়নি। আমরা ক্লু উদ্ধারের চেষ্টা করছি।
এদিকে, ছোট ছেলের লাশ দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন ফিরোজ হোসেনের বাবা-মা। গ্রামবাসীর মনেও প্রশ্ন- কেন ফিরোজকে হত্যা করা হলো, কারা এর সাথে জড়িত।