• আজ
  • বৃহস্পতিবার,
  • ২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Text_2

পাবনায় প্রেমিকার আত্মহত্যার খবর শুনে প্রেমিকেরও আত্মহত্যা

প্রকাশ: ৬ সেপ্টে, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনায় গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা করেছে।

এদের একজন মিতু অপরজন সবুজ আলী। মিতুর বাড়ি ফরিদপুর উপজেলার বাশুরিয়া গ্রামে। সবুজ ভাঙ্গুড়া উপজেলার চাচকিয়া গ্রামের ইয়াছিন আলীর ছেলে। এরা দু’জনই পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীতে পড়তো।

ফরিদপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই মিন্টু দাস জানান, কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া তিন বন্ধু আশরাফুল, সাকিবুল ও সবুজ একই ক্লাসের তিন মেয়ের সাথে প্রেম করে আসছিল। ঘটনাক্রমে এই তিন মেয়ের বাড়ি ফরিদপুর উপজেলায় বাশুরিয়া গ্রামে। বুধবার রাত ১২টার দিকে তিন বন্ধু এক সাথে তিন প্রেমিকার বাড়িতে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে সবুজ আলী মিতুর ঘরে ঢুকে পড়ে। অন্যরা যার যার প্রেমিকার বাড়িতে ঢুকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পায়চারী করায় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়ে।

পরে গ্রামবাসী ওদের দু’জনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। ও দিকে খবর পেয়ে মিতুর বাড়ি থেকে সবুজ পালিয়ে যায়। ওদের প্রেম মেনে নিবে না জেনে মিতু গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। অপরদিকে মিতুর মৃত্যুর খবর সবুজ জানতে পেরে সে নিজেও গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে সবুজের পরিবার হাসপাাতলে নেয়ার পথে সেও মারা যায়।

এ দিকে ফরিদপুর থানায় আটককৃত সবুজের দুই বন্ধু সাকিব ও আশরাফুল জানায়, ওরা দুজনই গ্যাস ট্যাবলেট নিয়ে রেখেছিল। যদি উভয়ের পরিবার ওদের প্রেমকে মেনে না নেয় তবে তারা গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করবে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কাশেম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে ফরিদপুর থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা সবুজের মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সবুজ নামে এক স্কুল ছাত্র গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া থানায় ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।