• আজ
  • বৃহস্পতিবার,
  • ২৪শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং
  • |
  • ১১ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ


Text_2

পাবনায় অশান্ত হয়ে উঠছে গুনাইগাছা ইউনিয়ন

প্রকাশ: ১২ জানু, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্রমশঃ অশান্ত হয়ে উঠছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের পরিবেশ। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। চাপা ক্ষোভ আর ভয়-আতঙ্ক বিরাজ করছে ইউনিয়নবাসীর মধ্য।
এলাকাবাসীর ভাষ্য- আওয়ামী লীগের এ ইউনিয়ন শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং আ’লীগ নেতা রজব আলী বাবলুর মধ্যে দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে রুপ নিয়েছে। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গং রজব আলী বাবলুর কর্মি-সমর্থকদের উপর ‘বেপরোয়া’আচরণ প্রকাশ করছে। জড়াচ্ছে বাকবিতণ্ডায়, ঘটাচ্ছে হামলার ঘটনা। কোনঠাসা হয়ে পড়ছে রজবের কর্মি-সমর্থকরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সপ্তাহখানেক আগে জাবরকোল গ্রামে রজবের অনুসারিদের বাড়ি-ঘরে রাতে হামলা করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ইন্ধনেই এ হামলা করা হয়। এ ঘটনার আগে ও পরে চরপাড়া, পৈলানপুরসহ বেশ ক’টি গ্রামের কতিপয় চিহ্নিত ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালানো হয়। দেওয়া হয় হুমকি। ভয়ে তখন অনেকেই রাতে বাড়িতে থাকেননি। ভুক্তভোগীরা বিএনপির কর্মি-সমর্থক বলে পরিচিতি রয়েছে এলাকায়। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে জালেশ্বর গ্রামে ওই দুই পক্ষের মধ্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানাচ্ছেন- সবচেয়ে বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছেন ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী। তিনি পেশায় সরকারি কর্মচারি। তার বর্তমান কর্মস্থল  ভাঙ্গুড়া হিসাবরক্ষণ অফিস।ইউনুসের নিজের গ্রাম পৈলানপুরে বাবলুর সমর্থকসহ নিরীহ গ্রামবাসীর উপর হামলা চালায় একদল দূর্বৃত্ত। ঘটনার সময় ইউনুস ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় ৩জন গুরুত্বর আহত হয়েছিলেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিনের আগে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের আশির্বাদ রয়েছে তার মাথায়- জনশ্রুতি রয়েছে এলাকায়। এলাকাবাসি এসব তথ্য জানাচ্ছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে। এলাকাবাসির প্রশ্ন- একজন সরকারি কর্মচারি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল কোন পদে থাকতে পারেন কি না? ইউনুসের দৌড়াত্ম রোধ করবেন কে? এ বিষয়ে জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ এলাকাবাসী।
সচেতন মহলের অভিমত, এ দ্বন্দ্ব নিরসনে উপজেলা আ’লীগসহ জেলা আ’লীগ নেতাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ইউনুসকেও থামাতে হবে এখনি। নচেৎ পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হবে। উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এর প্রভাব পরতে পারে।