• আজ
  • শনিবার,
  • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Text_2

ডুবেছে ৫৩৫হেক্টর আবাদি জমি, বেড়েছে সবজির দাম

প্রকাশ: ২৫ জুলা, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন মহিদুল খান, চাটমোহর

চলতি মৌসুমে পাবনার চাটমোহরে বর্ষায় ৫৩৫ হেক্টর আবাদি জমি ডুবে গেছে। বর্ষার প্রভাব পড়েছে শাক-সবজির দামের উপর। প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে পাটের ফলনে।
কৃষক আজাদ আলী ও আব্দুল মান্নান জানান, এ বছর হঠাৎ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্ষায় বেশি ক্ষতি হয়েছে ঝিঙা, পটল ও ঢেঁড়শের আবাদ। মরে গেছে মরিচের গাছ।
বর্ষার প্রভাব পড়েছে কাচাবাজারে। প্রতিদিনই কেজিতে ১০/১৫টাকা বাড়ছে কাঁচা মরিচের দাম। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে চাটমোহর নতুনবাজারে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয়েছে ১৭০/১৮০ দরে। দাম কেজিতে ৫/৮টাকা বেড়েছে পটল, ঝিঙাসহ অন্যান্য সবজিতে। আড়ৎদার ও বিক্রিতেরা বলছেন, বর্ষার কারণ ফলন কমে যাওয়ার কারণে দাম বাড়ছে।
এদিকে, পানির কারণে তাড়াহুড়ো করে পাট কাটছেন কৃষক। কারণ পানিতে থাকা পাট কাটা কষ্টসাধ্য ও অধিক ব্যয় সাপেক্ষ। অনেকটা অপরিপক্ক পাট কাটার কারণে ফলনের উপর প্রভাব পড়বে। এ শঙ্কা খোদ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তদের।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র বলছে, এ বছর বপন ও রোপণ মিলিয়ে বোনা আমনের আবদ হয়েছে ১১হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে। সবজির আবাদ হয়েছে ৬৫০ হেক্টর জমিতে। তোষা ও মেস্তা মিলিয়ে পাটের আবাদ হয়েছে প্রায় ৭হাজার হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ৫শ হেক্টর আমন ধান। তলিয়ে গেছে ৩০হেক্টর সবজির জমি ও ৫হেক্টর কাঁচা মরিচের ক্ষেত। পাট কাটা হয়েছে প্রায় ৩শ ৩০হেক্টর জমির।
সুত্র জানায়, বর্ষায় বেশি ক্ষতি হয়েছে নিমাইচড়া, হাণ্ডিয়াল, বিলচলন ও গুনাইগাছা ইউনিয়নে। এ তিন ইউনিয়নের বেশিরভাগ আবাদি জমি এখন পানির নিচে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান রশীদ হোসাইনি বলেছেন, পানি কমতে শুরু করেছে। পানি সরে গেলে ক্ষয়ক্ষতি কতটা বুঝা যাবে।