• আজ
  • শনিবার,
  • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং
  • |
  • ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Text_2

ঈদকে সামনে রেখে কোরবানী পশু কেনা-বেচায় ব্যস্ত পাবনাবাসী

প্রকাশ: ৬ আগ, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন রেজা নাবিল

মুসলমানদের সর্বোত্তম হালাল আনন্দের উৎসব হিসেবে চিহ্নিত উৎসব হল পবিত্র ঈদ। বছরে দুটি ঈদের দিনগুলো বেশ উৎসবমুখরভাবে পালন করে থাকে মুসলমানেরা। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা নামক সেই দুটি উৎসব তাদের। এ দুটির মধ্যে সামনে আছে ঈদুল আযহা। এই দিনটিকে ঘিরে নানা কল্পনা মানুষের মনে। বিচিত্র রঙের ব্যস্ততা তাদের। তবে সব ব্যস্ততার অধিকাংশ দায় যেন কোরবানীকে ঘিরে। জিলহজ্ব মাসের চাঁদ উদয়ের শুরু থেকেই শুরু হয় এই ব্যস্ততা। বিভিন্ন পশু হাট-বাজারে দেখা যায় পশু ক্রেতাদের। তারই ধারাবাহিকতায় পাবনার ঐতিহ্যবাহী হাজিরহাটও বেশ ব্যস্ত হয়ে উঠেছে পশু কেনা-বেচায়।

পাবনাসহ বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পশুব্যবসায়ীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পাবনার এই ঐতিহ্যবাহী হাজিরহাট। গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়াসহ বিভিন্ন গবাদি-পশু কেনা-বেচা হয় সেখানে। ঈদকে কেন্দ্র করে পশু বাজার কেমন বয়ে চলেছে তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানা যায়- গতবারের তুলনায় পশুর বাজার অনেকটাই নরম। অর্থাৎ পশু বিক্রেতারা আশানুরুপ বাজারদর পাচ্ছে না। এব্যাপারে পশু-ব্যবসায়ী সাঈদের সাথে কথা বলতে গেলে জানান, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার পশুর বাজারদর খুবই কম, পশু বিক্রি করে খামারীরা এবার লাভবান হতে পারবে না।

আরেক পশুব্যবসায়ী আমজাদ বলেন, পাবনায় এবার প্রচুর পশু রয়েছে। পাবনাবাসীর চাহিদারও বেশি পরিমাণ, এতে করে জেলার বাইরের চাহিদা মেটানোও অনেকাংশে সম্ভব হবে। কোরবানীর উদ্দেশ্যে পশু ক্রয় করতে আসা তুষারের সাথে কথা বলতে গেলে জানান, বাবা ও ভাইয়ের সাথে কোরবানীর পশু হিসেবে গরু কিনতে এসেিেছ। দেখছি বাজারদর অনেকটাই সাধ্যের মধ্যে, অল্প পূঁজিতে সুন্দর সুন্দর গরুই দেখলাম।

আরেক পশুক্রেতা জানান, ৬০ হাজার দিয়ে একটা ক্রয় করেছি। বাজারদর অনেকটা কম থাকায় মূল্যানুযায়ী খুবই ভাল হয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী এই হাজিরহাটে প্রতি হাটবারে কয়েক লক্ষ টাকার গবাদি-পশু বেচা -কেনা হয়ে থাকে। একহাত থেকে অন্যহাতে বদলি হওয়া জালসহ বিভিন্ন নকল টাকা এড়াতে উপস্থিত রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানা যায়।

এব্যাপারে হাট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে গেলে তারা জানান, ব্যবসায়ীদের যেন কোনধরনের অসুবিধা না হয় সেব্যপারে আমরা সবরকমের ব্যবস্থা নিয়েছি, এছাড়া প্রশাসনিক নিরাপত্তাও রয়েছে এখানে। বাইরে থেকে আগত ব্যবসায়ীদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানান তারা।

কোরবানবীকে ঘিরে যেহেতু এতো ব্যস্ততা ও শ্রম, সেহেতু সেই কোরবানী যেন পবিত্র মনে ও পবিত্র অর্থের হয় এবং সৃষ্টিকর্তার দবারে গ্রহণযোগ্য হয় সেই কামনা রইল।