• আজ
  • শুক্রবার,
  • ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং
  • |
  • ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ


Text_2

আমের আগাম মুকুল আসতে শুরু করেছে পাবনায়

প্রকাশ: ৬ ফেব্রু, ২০১৯ | রিপোর্ট করেছেন শফিউল আলম দুলাল

বসন্তের আগমনের জানান দিতে পাবনায় আম গাছে আগাম মুকুুল আসতে শুরু করেছে। জেলার নয়টি উপজেলাতেই শুরু হয়েছে আমের মুকুলের শোভা। সেজন্য আম চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করেছে গাছের যত্ন ও খাদ্য পানি দিতে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে ব্যবস্থা নিচ্ছে মুকুল ঝরা রোধের। ফুল পরিস্ফুটিত হবার পরপোকার আক্রমন থেকে রোধের আগাম পরামর্শও দিচ্ছে কৃষিদফতর। সে কারনে চলতি বছর আমের ফলন বেশী হবে বলে আশা আমচাষীদের

।পাবনা কষি সম্প্রসারন দফতর সূত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলারনয়টি উপজেলাতে প্রায় ২ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করা হয়েছে। গত মৌসুমে জেলাতে আমের আবাদ হয়েছিল২ হাজার ৬৩৫ হেক্টর জমিতে। আর এ আবাদ থেকে আম উৎপাদন হয়েছিল ৩২ হাজার ৭৯০ টন।

আম চাষী সমিতির সভাপতি বাদশা মিয়া জানান, গত মৌসুমের উৎপাদিত ১৬৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বিক্রি হয়েছিল। বাৎসরিক ফসল হিসেবে এ আবাদ করে গত বছর আম চাষীরা বেশলাভবান হয়েছিল। বর্তমানে কৃষিবিদ মো. আজাহার আলী পাবনা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপ পরিচালক হিসেবেযোগদানের পর বৃক্ষ মেলার মাধ্যমে আমের আবাদ বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেন। সে কারনে বসত বাড়ী ছাড়াও যৌগিগ ফসল হিসেবে বিভিন্ন সবজি ক্ষেতেও চলতি বছর আমের চাষ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চলতি মৌসুমে আমের আবাদ বৃদ্ধিপাবার কারনে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। আম চাষীরাও লাভবান হবে। আম চাষী আশরাফ আলী জানান, মুকুল আসা শুরু থেকেই হপারনামক পোকার আক্রমনে মধূঝড়া রোগ দেখা যায়, আম গাছে এরোগ দেখা দিলে আমের গুটি শুকিয়ে ঝড়ে যায়। এর ফলে উৎপাদন কমহয়। এ রোগটি প্রতিরোধ করতে পারলে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে জেলারআমচাষীরা কাংখিত লাভবান হতে পারবে।

এব্যাপরে পাবনা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আজাহার আলী জানান, পুষ্টি চাহিদা মেটানোরলক্ষ্যে আমের আবাদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দেশে খাদ্য চাহিদা পূরনহলেও পটুষ্টি চাহিদা রয়েছে আমাদের। সে কারনে আমেরপাশাপাশি পুষ্টি সমৃদ্ধ অন্যন্য ফল উৎপাদনের উপরও জোর দেয়াহচ্ছে।

হপার পোকার আক্রমন সর্ম্পকে তিনি জানান, এ রোগটিপ্রতি বছরই কম বেশী দেখা যায়। এ ব্যাপারে আমরা আম চাষীদেরসজাগ থাকতে পরামর্শ দিয়েছি। কোন গাছে হপার পোকার আক্রমন দেখা দিলে সাথে সাথে নিকটস্থ উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা ছাড়াও নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তকেঅবহিত করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে জেলা কার্যালয়েসরাসরি অথবা মোবাইলের মাধ্যমে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে।আক্রান্ত গাছটিতে হপার নিধনের ঔষুধ প্রয়োগ করলে মধূঝড়ারোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।